ভোটে ভরাডুবির পর হুগলির ঘাসফুল শিবিরে বড়সড় ভাঙন। বৃহস্পতিবার জেলার দুই গুরুত্বপূর্ণ নেতা কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। কোন্নগর পুরসভার কাউন্সিলর বিশ্বরূপ চক্রবর্তী ও রাজ্য তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রদেশ কংগ্রেসের সদর দপ্তর বিধান ভবনে গিয়ে জাতীয় কংগ্রেসের পতাকা হাতে তুলে নেন। তাঁদের কংগ্রেস পরিবারে স্বাগত জানান প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শ্রী শুভঙ্কর সরকার। বিশ্বরূপ চক্রবর্তী জানিয়েছেন, এরপর কোন্নগর পুরসভার আরও অনেক কাউন্সিলর শিগগিরই কংগ্রেসে যোগ দেবেন। যদি তেমনটা হয়, সেক্ষেত্রে কোন্নগর পুরসভা তৃণমূলের হাতছাড়া হয়ে চলে যাবে কংগ্রেসের হাতে।
এনিয়ে বিশ্বরূপ চক্রবর্তী বলেন, ‘‘হুগলি তথা কোন্নগরের রাজনীতিতে যা হচ্ছে, কে আসল তৃণমূল, কে বিজেমূল, তা তো বুঝতে পারছি না। তাই বিজেপির বিরুদ্ধে আসল লড়াই দিতে পারে কংগ্রেসই। তাই আমরা এই দলে যোগ দিলাম। আগামী দিনে কোন্নগর পুরসভার আরও পৌরপ্রতিনিধি কংগ্রেসে হয়ে লড়াইয়ে অংশ নেবেন।''
বিশ্বরূপ চক্রবর্তী কোন্নগর পুরসভার ১৭ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর, পাশাপাশি কোন্নগর টাউন তৃণমূলের সভাপতি। অন্যদিকে, অরিজিৎ কোন্নগরের যুব তৃণমূলের প্রাক্তন সভাপতি। বর্তমানে তিনি রাজ্য যুব তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক। দু'জনই এদিন যোগ দেন কংগ্রেসে। তাঁদের যোগদান পর্বে বিধান ভবনে হাজির ছিলেন প্রদেশ কংগ্রেসের মুখপাত্র সুমন রায়চৌধুরী, হুগলি ১ জেলার পর্যবেক্ষক আজমল খান, কার্যকরী সভাপতি মহম্মদ রফিক, দক্ষিণ কোলকাতা জেলা কংগ্রেস-সহ হুগলি ১ জেলার নেতৃবৃন্দ।
এনিয়ে বিশ্বরূপ চক্রবর্তী বলেন, ‘‘হুগলি তথা কোন্নগরের রাজনীতিতে যা হচ্ছে, কে আসল তৃণমূল, কে বিজেমূল, তা তো বুঝতে পারছি না। তাই বিজেপির বিরুদ্ধে আসল লড়াই দিতে পারে কংগ্রেসই। তাই আমরা এই দলে যোগ দিলাম। আগামী দিনে কোন্নগর পুরসভার আরও পৌরপ্রতিনিধি কংগ্রেসে হয়ে লড়াইয়ে অংশ নেবেন।'' তেমনটা হলে বদলের বাংলায় একটি পুরসভা চলে যেতে পারে 'হাত' শিবিরের দখলে। ইতিমধ্যেই একাধিক পুরবোর্ড ভেঙে গিয়েছে। কোচবিহারের মেখলিগঞ্জ পুরসভার দখল নিয়েছে কংগ্রেস।গণহারে ইস্তফা দিচ্ছেন কাউন্সিলররা। তৈরি হচ্ছে অচলাবস্থা। এই পরিস্থিতিতে রাজ্য সরকার দ্রুত পুরভোট করাতে আগ্রহী। চলতি বছর তা হওয়ার সম্ভাবনা।
