বিজেপি বিধায়ক বানেশ্বর মাহাতো এবং তাঁর অনুগামীদের গাড়ি লক্ষ্য করে পাথরবৃষ্টির অভিযোগ। শুক্রবারই পুরুলিয়ায় (Purulia) পৌঁছবে বিজেপির পরিবর্তন যাত্রা রথ। তার আগে জেলাজুড়ে চলছে দলীয় পতাকা লাগানোর কাজ। তারই মাঝে বলরামপুর বিধানসভার রসুলডি এলাকায় বিজেপি বিধায়কের গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় ব্য়াপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। শেষ দেখে ছাড়বেন বলেই হুঁশিয়ারি বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের।
শুক্রবার বিকেলের দিকে বিজেপির পরিবর্তন যাত্রার রথ বাঁকুড়া লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত রঘুনাথপুর এলাকায় ঢুকবে। সেখান থেকে পুরুলিয়ার পাড়ার আনাড়া হয়ে পুরুলিয়া শহরের কাছে বোঙাবাড়িতে থাকবে রাতে। শনিবার সন্ধ্যায় বলরামপুরে পৌঁছনোর কথা বিজেপির রথ। রবিবার সেখানে পরিবর্তন যাত্রার কথা। তার আগে ওই এলাকায় দলীয় পতাকা লাগাতে যান দলীয় কর্মী-সমর্থকরা। সঙ্গে ছিলেন বিধায়ক বানেশ্বর মাহাতোও। অভিযোগ, সেই সময় স্থানীয়রা দলীয় পতাকা বাঁধতে বাধা দেয়। বিজেপি নেতা-কর্মীরাও উত্তেজিত হয়ে পড়েন। পালটা প্রতিবাদ করেন। উভয়পক্ষের মধ্যে খণ্ডযুদ্ধ বাঁধে। স্থানীয়রা পাথর ছোড়ে বলেই অভিযোগ। দু'পক্ষের সংঘর্ষে ৫ জন বিজেপি নেতা-কর্মী জখম হন। বলরামপুর থানার আইসি অর্ণব গুহও জখম হয়েছেন। আহতদের বলরামপুরের বাঁশগড় গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাঁদের দেবেন মাহাতো গর্ভনমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।
বিজেপি বিধায়ক বানেশ্বর মাহাতোর দাবি, "রসুলডি আমরা পতাকা বাঁধতে গিয়েছিলাম। যখন পতাকা বাঁধছিলাম তখন প্রচুর মানুষ লাঠিসোঁটা, টাঙ্গি, তরোয়াল নিয়ে দৌড়ে আসে। আমাদের গাড়ি লক্ষ্য করে পাথর ছোড়ে। আমাদের দলের বেশ কয়েকজন জখম হয়েছেন।" এই ঘটনার পর থেকে থমথমে গোটা এলাকা। ওই এলাকায় বিশাল পুলিশবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। যাতে নতুন করে কোনও অশান্তি না তৈরি হয় সেদিকে নজর রাখছেন তদন্তকারীরা।
বলে রাখা ভালো, পরিবর্তন যাত্রা ঘিরে নিউটাউনেও পুলিশ এবং বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের ধস্তাধস্তি হয়। পুলিশের দাবি, বাইক মিছিলে অনুমতি ছিল না গেরুয়া শিবিরের। তা সত্ত্বেও মিছিল করেছে তারা। সে কারণেই বাধা দেওয়া হয়েছে। যগিও অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে বিজেপি। পুলিশের বিরুদ্ধে বাধা দেওয়ার অভিযোগে নিউটাউনের সার্চি সিগনালে পথ অবরোধ করে বিজেপি।
