shono
Advertisement

Breaking News

Delhi professor murder

দিল্লির অধ্যাপিকা খুনে দম্পতিই কি মাস্টারমাইন্ড? ভাড়া না পেয়ে বর্ধমানের বাড়ি ছাড়তে চাপ দেবস্মিতার!

দিল্লির অধ্যাপিকা হত্যাকাণ্ডে বর্ধমান থেকে ধৃত রামপ্রসাদ দাস (পন্তু) ও তাঁর স্ত্রী বনশ্রী দাসই খুন করেছে। এই বিষয়ে নিশ্চিত পুলিশ। তবে পরিকল্পনা তাঁরাই করেছে? না কি নেপথ্যে কেউ বা কারা রয়েছে? মাস্টারমাইন্ড কেউ ছিল কিনা, তদন্তে দিল্লি পুলিশ।
Published By: Suhrid DasPosted: 08:10 PM Jun 09, 2026Updated: 08:57 PM Jun 09, 2026

দিল্লির অধ্যাপিকা হত্যাকাণ্ডে (Delhi professor murder) বর্ধমান থেকে ধৃত রামপ্রসাদ দাস (পন্তু) ও তাঁর স্ত্রী বনশ্রী দাসই খুন করেছে। এই বিষয়ে নিশ্চিত পুলিশ। তবে পরিকল্পনা তাঁরাই করেছে? না কি নেপথ্যে কেউ বা কারা রয়েছে? মাস্টারমাইন্ড কেউ ছিল কিনা, তদন্তে দিল্লি পুলিশ। নিখুঁত পরিকল্পনা করেই অধ্যাপিকা দেবস্মিতা পালকে খুন করা হয়েছিল। স্বাভাবিকভাবেই ওই দম্পতি ছাড়াও আরও কারও জড়িত থাকার বিষয়টা উড়িয়ে দিচ্ছেন না তদন্তকারীরা। দেবস্মিতার ঘনিষ্ঠমহলের অনেককেই তদন্তের আওতায় রাখছে দিল্লি পুলিশ।

Advertisement

রবিবার বর্ধমানের বাদামতলা এলাকায় দেবস্মিতার মামার বাড়িতে দিনভর অভিযান চালিয়ে ওই দম্পতিকে গ্রেপ্তার করে দিল্লি পুলিশ। এই বাড়িটা উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছিলেন দেবস্মিতার মা অঞ্জলি পাল। এই বাড়িতে বছর তিনেক ধরে ভাড়া ছিল ওই দম্পতি। বাড়িটি দেখভাল করতেন দেবস্মিতা। তিনিই ভাড়া নিতেই ওই দম্পতির থেকে। সম্প্রতি কয়েক মাস বাড়ি ভাড়া বকেয়া রেখেছিল রামপ্রসাদ। বাড়ি ছেড়ে দেওয়ার জন্য তাঁদের বলেছিলেন দেবস্মিতা। তাই নিয়ে একটা বিবাদও হয়েছিল। 

ওই দম্পতির ছেলেকেই মূল সাক্ষী হিসেবে দেখছে পুলিশ। পাশাপাশি, ইলেক্ট্রনিক এভিডেন্স-ও পেয়েছে। দম্পতিকে ট্রানজিট রিমান্ডে দিল্লি নিয়ে যাচ্ছে পুলিশ। সেখানকার আদালতে পেশ করে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করবে দিল্লি পুলিশ।

তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, বকেয়া বাড়ি ভাড়া দেওয়ার অছিলায় দিল্লিতে দেবস্মিতার ফ্ল্যাটে ১১ বছরের সন্তানকে নিয়ে গিয়েছিল ওই দম্পতি। ফ্ল্যাটে ঢুকে অসতর্কতার সুযোগে ভারী কিছু দিয়ে দেবস্মিতার মাথায় আঘাত করে। তারপর মৃত্যু নিশ্চিত করতে সঙ্গে নিয়ে যাওয়া ক্ষুর দিয়ে অধ্যাপিকার শরীরের বিভিন্ন অংশে শিরা কেটে দেয়। ছেলের সামনেই পুরো ঘটনা ঘটায়। তারপর পোশাক বদলে ফ্ল্যাট থেকে বেরিয়ে যায়।

ওই দম্পতির ছেলেকেই মূল সাক্ষী হিসেবে দেখছে পুলিশ। পাশাপাশি, ইলেক্ট্রনিক এভিডেন্স-ও পেয়েছে। দম্পতিকে ট্রানজিট রিমান্ডে দিল্লি নিয়ে যাচ্ছে পুলিশ। সেখানকার আদালতে পেশ করে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করবে দিল্লি পুলিশ। তাদের জেরা করে পুলিশ জানতে চাইছে খুনের সঠিক কারণ। সম্পত্তি হাতাতে এই খুন না কি অন্য কোনও কারণ রয়েছে। 

পুরো পরিকল্পনা কি ওই দম্পতির ছিল, নাকি মাস্টারমাইন্ড অন্য কেউ? অন্য কোনও স্বার্থ চরিতার্থ করতে ওই দম্পতিকে ব্যবহার করে কাজ হাসিল করেছে অন্য কেউ। জিজ্ঞাসাবাদেই সফ স্পষ্ট হবে বলে আশাবাদী তদন্তকারীরা।

পুরো পরিকল্পনা কি ওই দম্পতির ছিল, নাকি মাস্টারমাইন্ড অন্য কেউ? অন্য কোনও স্বার্থ চরিতার্থ করতে ওই দম্পতিকে ব্যবহার করে কাজ হাসিল করেছে অন্য কেউ। জিজ্ঞাসাবাদেই সফ স্পষ্ট হবে বলে আশাবাদী তদন্তকারীরা। তবে ওই দম্পতিই যে খুন করেছে তা নিশ্চিত তদন্তকারীরা। ওই দম্পতিও দিল্লি পুলিশের জেরায় স্বীকার করেছে খুনের কথা। দম্পতির নাবালক ছেলেও পুলিশকে জানিয়েছে তার বাবা-মাই খুন করেছে বলে। পূর্ব বর্ধমান চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিটির নির্দেশে আপাতত রামপ্রসাদের শাশুড়ির কাছে রাখা হয়েছে ওই নাবালককে। তদন্তের প্রয়োজনে নাবালককে দিল্লি নিয়ে যাওয়া হতে পারে। মূল সাক্ষী হিসেবেও তাকে রাখা হতে পারে বলে সূত্রের খবর।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement