পরীক্ষার প্রায় ৭৬ দিনের মাথায় প্রকাশিত উচ্চ মাধ্যমিকের ফলাফল (WB Class 12 Result 2026)। মেধাতালিকায় ৬৪ জনের মধ্যে দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকে রয়েছেন ১৯ জন। এর মধ্যে নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের ১৮ জন ছাত্র জায়গা করে নিয়েছে মেধাতালিকায়। প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় সহ প্রায় প্রতিটি স্থানেই (সপ্তম বাদে) এই স্কুলের কোনও না কোনও ছাত্র রয়েছেন। স্কুলের ছাত্রদের সাফল্যের কারণ সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে মহারাজ স্বামী ইস্টেশানন্দজী জানিয়েছেন, এআই-এর যুগে তাঁর ছাত্ররা মোবাইলের 'প্রকোপ' থেকে দূরে আছেন। নিরবচ্ছিন্ন মনোসংযোগ ধরে রাখার মতো পরিবেশ প্রদান করেন নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন স্কুল।
মহারাজ জানিয়েছেন, মেধাতালিকায় ১৮ জন রয়েছেন। ২০২০ সালেও ১৮ জন ছাত্র মেধাতালিকায় ছিলেন। ২০২৩ সালেও ভালো ফলাফল হয়েছিল। ২০১৫ সালে স্কুলের মোট ১৯ জন ছাত্র মেধাতালিকায় ছিলেন। ২০২৩ সালের পর ২০২৬ সালে ফের স্কুলের কোনও ছাত্র প্রথম স্থান অধিকার করলেন। এছাড়াও তিনি বলেন, "এআই-এর যুগে আমাদের ছাত্ররা মোবাইলের প্রকোপ থেকে দূরে রয়েছে। এই বয়েসের ছেলেদের মোবাইলের প্রতি আসক্তি বেড়ে যায়। নিরবচ্ছিন্ন মনোসংযোগ ধরে রাখার মতো পরিবেশ প্রদান করেন নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন স্কুল। পাশাপাশি ছাত্র ও শিক্ষকদের পরিশ্রম ও লড়াই এই সাফল্যের পিছনে অন্যতম বড় ভূমিকা পালন করেছে। হাতে মোবাইল না পেলেও নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ছাত্রদের ল্যাবরেটরি ব্যবহার করতে দেওয়া হয়।"
মেধাতালিকায় নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের যে ছাত্ররা আছেন তাঁরা হলেন
প্রথম: আদৃত পাল (প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৬)
দ্বিতীয়: ঋতব্রত নাথ, ঐতিহ্য পাছাল (প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৫)
তৃতীয়: সৌম্য রায় (প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৪)
চতুর্থ: অর্কদ্যুতি ধর (প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৩)
পঞ্চম: প্রিয়াংশু মুখোপাধ্যায়, আলেখ্য মাইতি (প্রাপ্ত নম্বর ৪৯২)
ষষ্ঠ: প্রত্যুষ মণ্ডল, শুভদীপ দিন্দা, পল্লব কুমার ভাওয়াল, অনিমেষ মুখোপাধ্যায় (প্রাপ্ত নম্বর ৪৯১)
অষ্টম: অরিত্র সরকার, ফারহান আলি (প্রাপ্ত নম্বর ৪৮৯)
নবম: সোহম বেজ (প্রাপ্ত নম্বর ৪৮৮)
দশম: সাগ্নিক ঘটক, মেঘন অধিকারী, সোহম ভৌমিক, সৃজন পাল (প্রাপ্ত নম্বর ৪৮৭)
