সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পরীক্ষায় ভুল উত্তরে আর শূন্য নয়। তার বদলে পড়ুয়াদের বুঝিয়ে দিতে হবে কোথায় সে ভুল করছে। চলতি শিক্ষাবর্ষে এভাবে মূল্যায়ন শুরু হচ্ছে রাজ্যের প্রাথমিক স্তরে।
[ভুল করে অ্যাকাউন্টে জমা পড়া টাকা ফিরিয়ে সততার নজির গৃহবধূর]
প্রথম শ্রেণি থেকে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত পরীক্ষায় কোনও পড়ুয়া ভুল করলে আর লাল কালি দেওয়া যাবে না। তার বদলে ভুল সংশোধনের বিষয়টি ভাল করে বোঝাতে হবে। এই বিষয়ে রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষক-শিক্ষিকাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। ছাত্র-ছাত্রীরা মূল্যায়ন নিয়ে যাতে হতাশায় না ভোগে তার জন্য চলছে এমন প্রশিক্ষণ। এর প্রয়োজনীয়তা কেন তার ব্যাখ্যা দিয়েছেন সিলেবাস কমিটির চেয়ারম্যান অভীক মজুমদার। তাঁর বক্তব্য, ‘লাল কালি দিয়ে কেটে না দিয়ে যেখানে ভুল তৈরি হচ্ছে তা বুঝিয়ে দেওয়া প্রয়োজন। কারণ লাল কালিতে কেটে শূন্য পড়লে ছাত্র-ছাত্রীদের পক্ষে মানসিক চাপ হয়ে যায়। তাদের কাছে ব্যর্থতাই প্রকট হয়ে ওঠে। তাই ব্যর্থতাকে সামনে না আনে তার ভুল সংশোধন করলেই পড়ুয়াদের মঙ্গল।’ সোজা কথায় লেখাপড়া যেন তাদের কাছে আতঙ্কের না হয়ে ওঠে। স্কুলছুট বা ড্রপ আউট ঠেকাতে এই পদ্ধতি কাজে দেবে বলে মনে করছেন অভীকবাবু। ২০১৩ সালে এই বিষয়ে রাজ্য সরকারের কাছে সিলেবাস কমিটি সুপারিশ করেছিল। শিক্ষা দপ্তর তাতে সায় দেওয়ার পর ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষ থেকে এই নিয়ম চালু হচ্ছে।
[অভাবের তাড়নায় গঙ্গায় আত্মহত্যার চেষ্টা, পুলিশের উদ্যোগে বাঁচল ২টি প্রাণ]
এই বিষয়টি বোঝানোর জন্য রাজ্য জুড়ে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ চলছে। তাদের বোঝানো হচ্ছে ক্লাস ওয়ান থেকে ফোর পর্যন্ত প্রথমেই কেটে শূন্য না দিতে। কোথায় গণ্ডগোল হচ্ছে তা ভালো করে ধরিয়ে দিতে হবে। পড়ুয়াদের ছেলেবেলাতেই যাতে লাল কালি বা শূন্য পাওয়ার জন্য পড়াশোনায় ভীতি তৈরি না হয় তার জন্য এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সিলেবাস কমিটি দেখতে চায় নয়া নিয়ম কীভাবে গ্রহণ করছে স্কুলগুলি ও পড়ুয়ারা। কারণ এই ব্যবস্থার মাধ্যমে পড়ুয়াদের যাতে আরও বিদ্যালয়মুখী করা যায় তার জন্য এই পথে এগিয়েছে শিক্ষা দপ্তর।
[বরফের উপর মারকাটারি ব্যাটিং, আল্পসের কোলে বীরু শো]
The post ভুল উত্তরে আর শূন্য নয়, চলতি শিক্ষাবর্ষে প্রাথমিকে নয়া নিয়ম appeared first on Sangbad Pratidin.
