সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: স্কুলে মোবাইল ফোন ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে রাজ্য সরকার। প্রযুক্তির ব্যবহার ভাল। কিন্তু ব্যবহারে রাশ টানা দরকার। এমনই জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়।
[শাসনের নামে ‘অত্যাচার’, দুই ছাত্রীকে মারধরে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষিকা]
রাজ্য শিক্ষা দপ্তর জানাচ্ছে, পরীক্ষার সময় যদি মোবাইল ফোন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা থাকে, তবে ক্লাসে পড়াশোনা চলাকালীন কেন মোবাইল ব্যবহার করা হবে? ক্লাস চলাকালীন ফোন বেজে উঠলে মনোযোগ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে। তাই প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত প্রতিটি ক্লাসেই মোবাইল ফোন ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ আনতে উদ্যোগ নিচ্ছে রাজ্য। এই নিষেধাজ্ঞা ছাত্রছাত্রীদের ক্ষেত্রে যেমন প্রযোজ্য, তেমনই তা জারি করা হবে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের জন্যও।
[পুরুলিয়া পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ মাওবাদীর]
শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আলোচনা করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। শিক্ষামন্ত্রীর কথায়, প্রযুক্তি অবশ্যই প্রয়োজন। তার নিজস্ব গুরুত্ব আছে। কিন্তু সেই প্রযুক্তি যত্রতত্র ব্যবহারের ক্ষেত্রে অবশ্যই রাশ টানা দরকার। এই কারণেই ক্লাস চলাকালীন মোবাইল ফোন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আনতে চাইছে রাজ্য সরকার।
[সিএবি-র পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সৌরভের কাছে আবদার মমতার]
প্রসঙ্গত, মাধ্যমিক-উচ্চমাধ্যমিক সহ সব পরীক্ষাতেই মোবাইল ফোন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। কারণ হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়। রাজ্য সরকার চাইছে একমাত্র প্রধান শিক্ষক বা শিক্ষিকা ছাড়া আর কেউ মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবে না। তবে এ ব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়।
[হাওড়া ব্রিজে বাসের রেষারেষিতে দুর্ঘটনা, শহরে তীব্র যানজট]
রাজ্য সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে শিক্ষামহল ও বিদ্বজ্জনরা। তাঁদের বক্তব্য, স্কুলে মোবাইল ফোনের প্রয়োজনীয়তা বাহুল্য মাত্র। মধ্যশিক্ষা পর্ষদের এক শীর্ষ আধিকারিকের বক্তব্য, খুব শীঘ্রই মাধ্যমিক পর্যন্ত সমস্ত স্কুলে মোবাইল ফোন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারির জন্য আলোচনা করে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হবে।
