জানুয়ারির শেষ থেকেই ছন্দপতন শীতের। ফেব্রুয়ারিতে প্রায় ত্রাহি ত্রাহি রব। মার্চ পয়লাতেই পাখা যেন বন্ধ করে রাখাই দায়। দোলের ঠিক আগের দিনই কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রিতে পৌঁছল। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার উষ্ণ দোলের সাক্ষী হতে চলেছে কলকাতা-সহ গোটা বাংলা। ঘামে ভিজতে পারেন দক্ষিণবঙ্গবাসী। উত্তরবঙ্গে দোলের পর থেকেই ধীরে ধীরে বাড়তে থাকবে তাপমাত্রা। হতে পারে হালকা বৃষ্টিও। দেখা মিলতে পারে কুয়াশা। হালকা তুষারপাতের সম্ভাবনাও এড়ানো যাচ্ছে না।
আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণাবর্ত। ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে কোমোরিন এলাকাতেও। উত্তর-পূর্ব আরব সাগর এবং সংলগ্ন গুজরাট উপকূলে আরও একটি ঘূর্ণাবর্ত। মধ্য অসমেও রয়েছে ঘূর্ণাবর্ত। পশ্চিমী ঝঞ্ঝা রয়েছে জম্মু-কাশ্মীর সংলগ্ন এলাকায়। আগামী বুধবার নতুন করে আরও একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢুকবে। দক্ষিণবঙ্গে সকালের দিকে আংশিক মেঘলা আকাশ থাকতে পারে। তবে বেলায় পরিষ্কার থাকবে আকাশ। দেখা পাওয়া যাবে রোদের। বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। রাত ও দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের উপরে থাকবে। আগামী দু'দিন বাড়বে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আগামী ৬-৭ দিন প্রায় একইরকম থাকবে। কলকাতায় ২২ থেকে ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে থাকবে রাতের পারদ।
কলকাতাতেও বেড়েছে তাপমাত্রা। গত ৪ দিনে সাত ডিগ্রি সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বেড়েছে শহরে। সোমবার সকালে কলকাতার তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রবিবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩২.২ ডিগ্রি। শীতের অনুভূতি উধাও। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ৪২ থেকে ৯২ শতাংশ। আগামী ২৪ ঘন্টায় শহরের তাপমাত্রা থাকবে ২৩ ডিগ্রি থেকে ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে। এদিকে, উত্তরবঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা। সকালের দিকে দার্জিলিংয়ে গ্রাউন্ড ফ্রস্ট বা হালকা তুষারপাত হতে পারে। দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ের পার্বত্য এলাকায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা। মঙ্গলবার থেকে বৃষ্টির সম্ভাবনা কমবে। বুধবার থেকে শুষ্ক আবহাওয়া। শুধু বাংলা নয়, ভিনরাজ্যেও ক্রমশ বাড়ছে তাপমাত্রা।
