বিজেপি বিধায়ক বিবেকানন্দ বাউরির বিরুদ্ধে পোস্টার পড়ল পুরুলিয়ার শিল্পশহর রঘুনাথপুরে। ওই বিজেপি বিধায়ক গত পাঁচ বছরে কোন কাজ করেননি বলে অভিযোগ তুলে রঘুনাথপুর বিধানসভায় নতুন মুখের দাবি তুলল জনতা। রবিবার শিল্পশহর ও তার আশপাশ এলাকায় দেখা যায় এই ধরনের অজস্র পোস্টার। যদিও রঘুনাথপুর বিজেপি বিধায়কের দাবি, "এ সবই তৃণমূলের কাজ। এর পেছনে তৃণমূল জড়িত। পোস্টারে যেসব অভিযোগ করা হয়েছে তার কোনও ভিত্তি নেই। আমার রঘুনাথপুর বিধানসভার সাধারণ মানুষজন জানেন আমি কী কাজ করেছি।"
এদিন রঘুনাথপুর শহর জুড়ে বিভিন্ন দেওয়ালে ওই পোস্টারের শিরোনাম ছিল, 'রঘুনাথপুর বিধানসভায় নতুন মুখ চাই।' শিরোনামের নিচে লেখা, 'রঘুনাথপুর বিধানসভাবাসী হিসাবে আমাদের একটাই অনুরোধ বিজেপির উচ্চ নেতৃত্বের কাছে, বিবেকানন্দ বাউরিকে যেন টিকিট না দেওয়া হয়। কারণ ৫ বছর রঘুনাথপুর বিধানসভাবাসীর কোনও কাজ করেননি উনি। কোনও মানুষের পাশে দাঁড়াননি। তাই কোনও বহিরাগত বা সমাজের নাম করে টাকা তোলার ব্যক্তিকে যেন টিকিট না দেওয়া হয়। আপনাদের কাছে আমাদের একটাই অনুরোধ।"
পোস্টারের শিরোনাম ছিল, 'রঘুনাথপুর বিধানসভায় নতুন মুখ চাই।' শিরোনামের নিচে লেখা, 'রঘুনাথপুর বিধানসভাবাসী হিসাবে আমাদের একটাই অনুরোধ বিজেপির উচ্চ নেতৃত্বের কাছে, বিবেকানন্দ বাউরিকে যেন টিকিট না দেওয়া হয়।'
ওই পোস্টারে বিধায়কের বিরুদ্ধে আর্থিক বেনিয়মের অভিযোগ ওঠায় রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে রঘুনাথপুর শিল্পতালুকে। এই পোস্টারের পর রঘুনাথপুর রাজনৈতিক মহলের প্রশ্ন, পোস্টার কি শিল্প শহরের মানুষই দিয়েছেন? না কি বিজেপির গোষ্ঠী কলহ। পুরুলিয়া জেলা তৃণমূলের সহ-সভাপতি তথা
একুশের বিধানসভায় রঘুনাথপুর আসন থেকে তৃণমূলের প্রার্থী হওয়া হাজারি বাউরি বলেন, "ওই বিধায়কের প্রতি বীতশ্রদ্ধ হয়ে ওই পোস্টার রঘুনাথপুরের মানুষজন দিয়েছেন। বিধায়ক তো কোনও কাজ করেননি। তাই পোস্টারে রঘুনাথপুরের মানুষকে অন্ধকারে রাখার কথা উল্লেখ রয়েছে।"
একুশের বিধানসভায় রঘুনাথপুর আসন বিজেপি পেলেও ২০২৪ সালের লোকসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের লিড ছিল ৪৪৫। সেই ফলকে সামনে রেখেই তৃণমূল এই আসন জিততে একেবারে মরিয়া। রাজ্যে পালাবদলের পর ২০১১ ও ২০১৬ এই আসন ছিল তৃণমূলের দখলে।
