বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর জেলায় বড়সড় ধাক্কা খেল বিজেপি। গেরুয়া শিবির ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিলেন মহিষাদল লক্ষ্যা ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান অনন্ত বেরা। ফলে পঞ্চায়েত ভোটের পর এই গ্রাম পঞ্চায়েত গেল তৃণমূলের হাতে। তবে আনুষ্ঠানিক ভাবে এখনও এই পঞ্চায়েত এখনও তৃণমূল পায়নি। অনাস্থা ভোটের পরই ফলাফল সামনে আসবে।
মহিষাদল লক্ষ্যা ১ গ্রাম পঞ্চায়েতে আসন সংখ্যা ১৬টি। পঞ্চায়েত ভোটে বিজেপি আটটি ও তৃণমূল ৮টি আসন পায়। টসে জিতে বোর্ড গঠন করে বিজেপি। তারাই এতদিন বোর্ড চালাছিল। তবে বুধবার বিকালে মহিষাদল কুমুদিনী ডাকুয়া মুক্তমঞ্চে তৃণমূল কংগ্রেসের বর্ধিত সভায় বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান করেন অনন্ত। ফলে গ্রাম পঞ্চায়েতে তৃণমূলের আসন সংখ্যা দাঁড়াল ৯টিতে। বোর্ড গঠনের জন্য যা সংখ্যাগরিষ্ঠ।
তৃণমূলে যোগ দিয়ে অনন্ত বেরা বলেন, "মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে রাজ্যে উন্নয়নের জোয়ার এসেছে। ভারতীয় জনতা পার্টিতে অন্যের নিন্দা ছাড়া কিছু হয় না। কেন্দ্রীয় সরকার বাংলা ও বাঙালিকে বঞ্চনা করেছে। উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে যোগ দেওয়ার জন্য এই সিদ্ধান্ত।" অনন্ত বেরা ছাড়াও বিজেপির লক্ষ্যা- ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের বিজেপির প্রাক্তন যুব মোর্চা নেতা সুব্রত চৌধুরী, সিপিএমের প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্যা ছন্দা বর্মন ধাড়া-সহ বেশ কয়েকজন তৃণমূলে যোগদান করেন। তাঁদের হাতে তৃণমূলের পতাকা তুলে দেন জেলা পরিষদের সভাধিপতি তথা বিধায়ক উত্তম বারিক, জেলা তৃণমূল সভাপতি সুজিত রায়রা।
