জল্পনার অবসান। অবশেষে সোমবার তৃণমূল ছাড়ার কথা ঘোষণা করলেন নোয়াপাড়ার প্রাক্তন বিধায়ক সুনীল সিং। দীর্ঘদিনের উপেক্ষা ও বিশ্বাসের অভাবের অভিযোগ তুলে ভোটের মুখে দল ছাড়লেন তিনি। উল্লেখ্য, বাইশের পুরভোটে বিজেপির টিকিট তুলে শেষ মুহূর্তে তা প্রত্যাহার করে তৃণমূলে যোগ দেন অর্জুন সিংয়ের ভগ্নিপতি সুনীল সিং। কিছুদিন সক্রিয় থাকলেও, লোকসভা নির্বাচনে অর্জুন সিং বিজেপি প্রার্থী হওয়ার পর থেকেই তাঁকে সংগঠনে আর সক্রিয় দেখা যায়নি। এরপর থেকেই সুনীলের বিজেপিতে 'ঘর ওয়াপসি' নিয়ে জল্পনা চলছিল। মাস পাঁচেক আগে নোয়াপাড়ায় শুভেন্দু অধিকারী সভা সেরে ফেরার সময় তাঁর সাক্ষাৎ এবং দিন কয়েক আগে রামনবমীর মিছিলে অর্জুন সিংয়ের সঙ্গে হাঁটা জল্পনাকে আরও উস্কে দেয়। এদিন সেই জল্পনায় সিলমোহর পড়ল।
সুনীলের বিজেপিতে 'ঘর ওয়াপসি' নিয়ে জল্পনা চলছিল। মাস পাঁচেক আগে নোয়াপাড়ায় শুভেন্দু অধিকারী সভা সেরে ফেরার সময় তাঁর সাক্ষাৎ এবং দিন কয়েক আগে রামনবমীর মিছিলে অর্জুন সিংয়ের সঙ্গে হাঁটা জল্পনাকে আরও উস্কে দেয়। এদিন সেই জল্পনায় সিলমোহর পড়ল।
গত কয়েকদিন ধরেই নোয়াপাড়া কেন্দ্রে প্রার্থী নির্বাচন নিয়ে প্রকাশ্যে অসন্তোষ জানাচ্ছিলেন সুনীল সিং। অভিযোগ, দলীয় কর্মসূচি ও সংগঠনে তাঁকে প্রয়োজনমতো ব্যবহার করা হচ্ছিল না। সেই ক্ষোভ থেকেই দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত বলে জানান। সুনীল সিং বলেন, “বিশ্বাস না থাকলে কোনও দলে থাকা উচিত নয়। ২০২২ সালে দলে যোগ দেওয়ার পর আমাকে কোনও কাজে লাগানো হয়নি। আমাকে বসিয়ে রাখা হয়েছে। একটাই কারণ, অর্জুন সিং আমার আত্মীয়। দল যদি বিশ্বাস না করে, সেখানে থাকা যায় না। আমি দল ছেড়েছি, তবে রাজনীতিতে থাকব। বিজেপিতে যোগ দিলে দাপটের সঙ্গে কাজ করব। অর্জুন সিংয়ের হয়ে প্রচারে নামব।'' প্রাক্তন তৃণমূল নেতার কথায়, মানুষ পরিবর্তন চাইছে, সেখানে আমার অবদান থাকলে অবশ্যই রাখব।
নির্বাচনের আগে তাঁর এই সিদ্ধান্তে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে নারাজ নোয়াপাড়া তৃণমূল প্রার্থী তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য। এ প্রসঙ্গে এক কথায় তাঁর প্রতিক্রিয়া, “দুগ্গা দুগ্গা।” তৃণমূলের একাংশের বক্তব্য, সুনীল সিংয়ের বিজেপিতে যাওয়া সময়ের অপেক্ষা ছিল।
