সোমবার বিকেল। ঘড়িতে তখন চারটে দশ। জনতার ভিড়ে থিক থিক করছে বিজয়গড় চত্বর। চোখের জলে রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Rahul Arunoday Banerjee Death Update) শেষ বিদায় জানিয়ে তাঁর নিথর দেহ নিয়ে কেওড়াতলা মহাশ্মশানের উদ্দেশে রওনা হন স্কুলের বন্ধুরা। কিন্তু অভিনেতার মরদেহ পৌঁছনোর কিছুক্ষণ বাদেই শ্মশানে শুরু হয় চরম বিশৃঙ্খলা! যার জেরে ক্ষোভে ফুঁসছেন রাহুলের শৈশবের বন্ধুরা। অভিযোগ, 'বেছে বেছে শুধু সেলেবদের ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে!' আর তাতেই শ্মশানে জোর বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।
রবিবাসরীয় বিকেলে দুঃসংবাদ পেয়েই রাতে তালসারিতে ছুটে গিয়েছিলেন রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্কুলের বন্ধুরা। ময়নাতদন্তের পর বন্ধুর দেহ আগলে তাঁরাই কলকাতায় নিয়ে আসেন। সেকথা উল্লেখ করেই প্রয়াত অভিনেতার এক বন্ধুর মন্তব্য, "গতকাল রাত থেকে আমরা আছি। আপনারা তো শুটিং করছিলেন। আজ আমরাই বাদ!"
রাহুলের শেষকৃত্যে জনতার ঢল। নিজস্ব চিত্র
কেওড়াতলা মহাশ্মশানে রাহুলকে শেষবারের মতো দেখতে শ্রদ্ধা জানাতে পৌঁছে গিয়েছিলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়, চুর্ণী গঙ্গোপাধ্যায়, গৌরব-রিধিমা, অনন্যা চট্টোপাধ্যায়, রুকমা রায়, অঙ্কুশ, রুদ্রনীল ঘোষ, ইন্দ্রাশীস আচার্য-সহ আরও অনেকে। প্রয়াত অভিনেতার বন্ধুদের অভিযোগ, শ্মশানের গেটেই তাঁদের আটকে দেওয়া হয়। সেসময়ে শুধু তারকাদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হচ্ছিল। সেখানে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ করায় শেষমেশ ভিতরে ঢোকার অনুমতি পান বন্ধুরা। কিন্তু শ্মশানে প্রবেশের পরও সেই একই সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় তাঁদের। জানা যায়, রুকমা রায়-সহ চুল্লির সামনে বাকি তারকাদের যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। এরপরই ক্ষোভে ফেটে পড়েন রাহুলের বন্ধুরা। তাঁদের অভিযোগ, "আমরা ছোটবেলার বন্ধু। ছোট থেকে দেখছি। আমাদের ভিতরে যাওয়ার অধিকার আছে। শুধু সেলেবদের দেখে দেখে শ্মশানে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।"
উল্লেখ্য, রবিবাসরীয় বিকেলে দুঃসংবাদ পেয়েই রাতে তালসারিতে ছুটে গিয়েছিলেন রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্কুলের বন্ধুরা। ময়নাতদন্তের পর বন্ধুর দেহ আগলে তাঁরাই কলকাতায় নিয়ে আসেন। সেকথা উল্লেখ করেই প্রয়াত অভিনেতার এক বন্ধুর মন্তব্য, "গতকাল রাত থেকে আমরা আছি। আপনারা তো শুটিং করছিলেন। আজ আমরাই বাদ!"
