বাংলার মহিলাদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলার লক্ষ্যে রাজ্য সরকারের লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের প্রকল্প পেয়ে খুশি সুন্দরবনের প্রান্তিক এলাকার মহিলারা। দোলের আগেই আবির মেখে ও মিছিল করে ধন্যবাদ জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটের সুন্দরবনের হাসনাবাদ ব্লকের মাখালগাছা গ্রাম পঞ্চায়েতে এই অভিনব মিছিল দেখা গেল। যেখানে তৃণমূলের হাসনাবাদ ব্লক ২ সাধারণ সম্পাদক মুকুল মণ্ডলের নেতৃত্বে ও মাখালগাছা অঞ্চল মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের সৌজন্যে শ'য়ে শ'য়ে মহিলারা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের সুবিধা পেয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জ্ঞাপনের জন্য টাকি-মালঞ্চ রোডে মিছিল করে প্রাক্ হোলিতে মাতলেন।
মহিলারা বলেন, "যেভাবে মহিলাদের স্বাবলম্বী করার জন্য ও সমাজকে সুস্থ রাখার জন্য মুখ্যমন্ত্রীর লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প নিয়ে এসেছেন তাতে উপকৃত হয়েছেন প্রান্তিক এলাকার বহু মহিলা। তাই আমরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জ্ঞাপনের জন্য এই মিছিল করেছি। পাশাপাশি প্রাক্ হোলিতে মাতলাম আমরা।" তৃণমূল কংগ্রেসের হাসনাবাদ ব্লক ২ সাধারণ সম্পাদক মুকুল মণ্ডল বলেন, "দীর্ঘদিন ধরেই লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের সুবিধা পাচ্ছিলেন এলাকার মহিলারা। কিন্তু রাজ্য বাজেটে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের বরাদ্দ আরও বাড়িয়ে দেওয়ার পর মহিলাদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস আরও বেড়েছে। তাই জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সমস্ত শ্রেণীর মহিলারা আজ এই মিছিলে অংশগ্রহণ করেছেন।"
এদিনের এই মিছিলে উপস্থিত ছিলেন মাখালগাছা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান তাসলিমা বিবি, উপ-প্রধান রামকৃষ্ণ বারুই ও প্রধান প্রতিনিধি সাগর মোল্লা সহ মাখালগাছা গ্রাম পঞ্চায়েতের সমস্ত সদস্য ও শাসক দলের স্থানীয় নেতৃত্বরা। প্রান্তিক অঞ্চলের পরিবারগুলির আর্থিক অসঙ্গতি থাকে অনেক ক্ষেত্রেই। পরিবারের মহিলাদের কথা ভেবেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার মহিলাদের জন্য লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প আনা সেই ভাবনা থেকেই। এবার টাকার অঙ্ক বাড়িয়ে ১৫০০ করা হয়েছে। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পেয়ে উপকৃত প্রান্তিক এলাকার মহিলারা।
