shono
Advertisement
West Bengal Assembly Election

সেলিমের সঙ্গে গোপন বৈঠক ডাহা ফেল! 'শূন্য থেকে মহাশূন্য', সিপিএমকে কটাক্ষ করে জোটে 'না' হুমায়ুনের

২৫ ফেব্রুয়ারি জোট নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করবেন জনতা উন্নয়ন পার্টির নেতা। সোমবার কলকাতায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে একথা জানান তিনি।
Published By: Sucheta SenguptaPosted: 08:46 PM Feb 16, 2026Updated: 08:46 PM Feb 16, 2026

সিপিএম রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমের সঙ্গে রাতে গোপন বৈঠক ডাহা ফেল! ছাব্বিশের বিধানসভার নির্বাচনে সিপিএম, আইএসএফ - কারও সঙ্গেই জোট করছে না হুমায়ুন কবীরের দল জনতা উন্নয়ন পার্টি। সোমবার কলকাতায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দলের চেয়ারম্যান তথা ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। আসন বণ্টন নিয়েই তাঁর মূল আপত্তি। তবে কংগ্রেস নেতা অধীররঞ্জন চৌধুরী এবং সিপিএম রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমকে নিয়ে আলাদা ভাবনা রয়েছে হুমায়ুনের।

Advertisement

সোমবার কলকাতায় হুমায়ুন কবীরের বক্তব্য, ‘‘বামফ্রন্টের চেয়ারম্যান এবং তাদের শরিক দল, ফরওয়ার্ড ব্লক, আরএসপি শুনেছি যে পরিমাণ সিট ডিমান্ড করছে, শুনেছি আইএসএফ যে পরিমাণ সিট ডিমান্ড করছে, আমি তাদের সঙ্গে জোট করব না। ২৫ ফেব্রুয়ারি আমি জোট নিয়ে আমার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত জানাবো বাংলার মানুষকে।'' ছাব্বিশে লড়াইয়ের ছকও মোটের উপর সাজিয়ে ফেলেছেন হুমায়ুন। জানিয়েছেন, জনতা উন্নয়ন পার্টি মিম-সহ ছোট ছোট সাত-আটটি রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে মিলে ঠিক করবে কে কোন কোন জায়গায় কতগুলি আসনে লড়াই করবে। ২৫ তারিখের মধ্যে তা স্থির করে জানিয়ে দেওয়া হবে নিশ্চিত তালিকা।

হুমায়ুন কবীরের বক্তব্য, ‘‘বামফ্রন্টের চেয়ারম্যান এবং তাদের শরিক দল, ফরওয়ার্ড ব্লক, আরএসপি শুনেছি যে পরিমাণ সিট ডিমান্ড করছে, শুনেছি আইএসএফ যে পরিমাণ সিট ডিমান্ড করছে, আমি তাদের সঙ্গে জোট করব না।''

এদিন সিপিএমকে একের পর এক কটাক্ষ করলেন হুমায়ুন। বললেন, ‘‘শূন্যে আছে, আরও মহাশূন্যে পাঠিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করব ওদের। জনতা উন্নয়ন পার্টির নেতৃত্বে জোট রাজ্যের সব আসনে লড়াই করার জন্য প্রস্তুত। আমাদের একটা লক্ষ্য, তৃণমূল কংগ্রেসকে ক্ষমতাচ্যুত করা। বিজেপিকে সংখ্যাগরিষ্ঠতায় পৌঁছতে না দেওয়া।'' হুমায়ুন কবীর এদিন ফের প্রকাশ্যে বলেন, ‘‘গত লোকসভা নির্বাচনে বহরমপুর কেন্দ্র থেকে পাঁচবারের সাংসদ অধীররঞ্জন চৌধুরীকে আমাদের হারানো ভুল হয়েছে। মুর্শিদাবাদের মানুষের বড় ভুল। এর জন্য আজ বহরমপুরের মানুষ সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। আগামী লোকসভায় বহরমপুর থেকে অধীররঞ্জন চৌধুরীকে চৌধুরীকে জেতাতে আমি সর্বশক্তি প্রয়োগ করব। ইউসুফ পাঠানকে গোহারা হারাব বহরমপুর থেকে।''

হুমায়ুনের আরও বক্তব্য, ‘‘গত লোকসভা নির্বাচনে বহরমপুর কেন্দ্র থেকে পাঁচবারের সাংসদ অধীররঞ্জন চৌধুরীকে আমাদের হারানো ভুল হয়েছে। মুর্শিদাবাদের মানুষের বড় ভুল। এর জন্য আজ বহরমপুরের মানুষ সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। আগামী লোকসভায় বহরমপুর থেকে অধীররঞ্জন চৌধুরীকে চৌধুরীকে জেতাতে আমি সর্বশক্তি প্রয়োগ করব। ইউসুফ পাঠানকে গোহারা হারাব বহরমপুর থেকে।''

সিপিএম এবং আইএসএফের সঙ্গে জোটে 'না' ঘোষণার পর হুমায়ুনের এই 'অধীরপ্রীতি' নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। যদিও এনিয়ে প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি এপ্রসঙ্গে কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement