'ইদে ভারতে যত পাঁঠা কাটা হয়, পাকিস্তানে তত লোকই নেই', সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত 'বর্ডার ২' ট্রেলারে জওয়ানের উর্দিতে এহেন মারকাটারি সংলাপেই ঝড় তুলেছিলেন মেজর কুলদীপ সিং ওরফে সানি দেওল। ২৭ বছর পর দেশপ্রেমের গাথা নিয়ে প্রকাশ্যে আসা ঝলক দেখে অগ্রিম বুকিংয়েও ঝড় তুলেছে এই সিনেমা। এহেন উন্মাদনা পরখ করে সিনেবিশেষজ্ঞরাও ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন যে, ওপেনিং ইনিংসেই ৩০ কোটির গণ্ডি পেরবে 'বর্ডার ২'। কিন্তু রিলিজের প্রাক্কালে দেশে বিজয়রথ ছোটালেও মধ্যপ্রাচ্যে নিষিদ্ধ হয়ে গেল ভারতীয় সৈনিকদের বীরগাথা।
বলিউড মাধ্যম সূত্রে খবর, 'ধুরন্ধর'-এর মতোই পাকিস্তান বিরোধী প্লটের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর একাধিক দেশে নিষিদ্ধ হয়েছে 'বর্ডার ২'। বাহারিন, কুয়েত, ওমান, কাতার, সৌদি আরবে মুক্তি পাচ্ছে না সানি দেওল, বরুণ ধাওয়ান, দিলজিৎ দোসাঞ্ঝদের সিনেমা। জানা গিয়েছে, নির্মাতারা মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলিতে রিলিজের জন্য চেষ্টাও করেছিলেন। কিন্তু তাতেও হালে পানি পাওয়া যায়নি! সূত্রের খবর, একাধিক পাক-বিরোধী সংলাপের জেরেই মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলি 'বর্ডার ২' প্রদর্শনে নারাজ। অতীত কাহিনি মাথায় রেখে আশঙ্কা আগেই করা হয়েছিল, এবার সেটাই ফলে গেল। যদিও সিনেমার ব্যবসা নিয়ে ভাবতে নারাজ নির্মাতারা। কারণ অগ্রিম বুকিংয়ে ইতিমধ্যেই ঝকঝকে মার্কশিটের আভাস পাওয়া গিয়েছে। উল্লেখ্য, 'বর্ডার ২'-এর আগে সানি দেওল অভিনীত 'গদর ২' ছবিটিও নিষিদ্ধ হয়েছিল মধ্যপ্রাচ্যে।
এই অবশ্য প্রথম নয়। অতীতে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন প্রান্তে এহেন গেরোয় পড়তে হয়েছে ‘স্কাই ফোর্স’, ‘দ্য ডিপ্লোম্যাট’, ‘আর্টিকেল ৩৭০’, ‘টাইগার ৩’, এবং ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস’-এর মতো ছবিগুলিকেও। এমনকী হৃতিক রোশন এবং দীপিকা পাড়ুকোন অভিনীত ‘ফাইটার’কেও এহেন বিধিনিষেধের মুখোমুখি হতে হয় সেখানে। পরবর্তীতে কিছু সংলাপ, দৃশ্য ছেঁটে নতুন সংস্করণ মুক্তি পায় মধ্যপ্রাচ্যে। এবার সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর দেশগুলিতে ছাব্বিশ সালে 'ধুরন্ধর'-এর পর নিষিদ্ধ হল 'বর্ডার ২'।
