সোশাল মিডিয়ায় বুঁদ প্রজন্মের প্রিয় ক্রিয়েটরদের তালিকায় নিঃসন্দেহে রয়েছেন লাফটারসেন অর্থাৎ নিরঞ্জন মণ্ডল। এই মুহূর্তে বিগ বস বাংলার প্রতিযোগী তিনি। ২৪ ঘণ্টা দুর্গের ভিতরে তাঁর কার্যকলাপ দেখছেন অনুরাগীরা। আর তাতেই প্রশ্নের মুখে প্রিয় লাফটারসেনের সৃজনশীলতা। বিগ বসের ঘরে নিরঞ্জনের আচরণ দেখে অনুরাগীদের একাংশের প্রশ্ন, 'ওর কনটেন্টের এত ভালো ভালো স্ক্রিপ্ট আদৌ ওর মাথা থেকে বের করা? নাকি ও অন্য কাউকে দিয়ে লিখিয়ে এতদিন শুধু অভিনয় করেছে?'
নিরঞ্জন মণ্ডল। ছবি- সোশাল মিডিয়া
আসলে অভিনেতা-অভিনেত্রী হোক বা বর্তমান সময়ের ক্রিয়েটর, পছন্দের মানুষের সম্পর্কে একটা ধারণা তৈরি হয়ে যায় অনুরাগীদের মনে। কিন্তু বিগ বস সেই ধারণা বদলে দেওয়ারই জায়গা। কারণ, ২৪ ঘণ্টা নজরবন্দি থাকলে একজন কখন রাগ করছেন, কীভাবে কথা বলছেন, কার সঙ্গে কেমন আচরণ করছেন, তা দিনের আলোর মতো স্পষ্ট হয়ে যায়। ফলে আসল মানুষটাকে কিছুটা হলেও চিনে নেওয়া যায়। ঠিক তেমনটাই হচ্ছে সকলের প্রিয় লাফটারসেনের সঙ্গে। তাঁর ভিডিও বরাবর মানুষের বড্ড পছন্দের। ফলে লাফটারসেন নিরঞ্জনকেও সকলে ভালোবাসেন। কিন্তু গত কয়েকদিনে বিগ বস বাংলায় তাঁর ভূমিকায় খানিকটা বিরক্তই অনুরাগীরা।
প্রথমত, শুরুর দিন থেকে এখনও পর্যন্ত তাঁকে বিশেষ অ্যাকটিভ দেখা যায়নি। বরং সামান্য কিছুতেই চোখের জলে ভাসতে দেখা গিয়েছে। তিনি কতটা ভরসা ও বিশ্বাসযোগ্য, তা নিয়েও সন্দিহান অনুরাগীরা। কারণ, দিনভর ঝিলম ও দুর্নিবারের সঙ্গে থাকলেও প্রিয়জন হিসেবে কখনও নাম বলছেন সোহিনীর, কখনও আবার জয়িতার। যা মোটেই ভালোভাবে নিচ্ছে না কেউ। সব মিলিয়ে নিরঞ্জনের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ নেটদুনিয়া। সোশাল মিডিয়ায় দীর্ঘ পোস্টে অনেকেই তাঁর সৃজনশীলতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। একজন লিখেছেন, 'সারাদিন কেমন লস্ট পার্সনের মত ঘুরে বেড়ায়। মাঝে মাঝে সত্যিই অবাক লাগে এটা ভেবে যে ওর কনটেন্টের ওই ওতো ভালো ভালো স্ক্রিপ্ট, পাঞ্চ লাইন, সেন্স অফ হিউমার আদৌ ওর মাথা থেকে বের করা? নাকি ও অন্য কাউকে দিয়ে লিখিয়ে এতদিন শুধু অভিনয় করেছে?'। কেউ লিখেছেন, 'বিগ বসের মঞ্চে, টিভির ক্লিপে কিংবা বিভিন্ন রিলসে ওকে যেভাবে দেখছি, আগের সেই মানুষটার সঙ্গে একেবারেই মেলাতে পারছি না।' যদিও অনেকেরই দাবি, ও লস্ট পার্সন বলেই এত ভালো কনটেন্ট উপহার দিতে পারেন।
