ছাব্বিশ সালের পুজো রিলিজে অন্যতম চমক 'দেশু ৭'। ঘোষণার পর থেকেই যেভাবে এই জুটিকে ঘিরে উন্মাদনার পারদ বাড়ছে তা নতুন করে বলার নয়। পুজোর বাকি এখনও ন'মাস। হাতে রয়েছে অনেকটা সময়। তার আগেই বড়সড় স্ট্র্যটেজিকে আধার করেছেন দেব-শুভশ্রী। তবে ছবির নাম বা চিত্রনাট্য কোনও কিছুই এখনও সেভাবে স্থির না হলেও 'দেশু ৭'র অগ্রিম টিকিট বুকিং রীতিমতো চোখ ধাঁধিয়েছে। অন্যদিকে মুক্তির আগে দেব-শুভশ্রীর নামহীন ছবি বুক মাই শোতে আপলোড হতেই ইন্ডাস্ট্রির অন্দরে রীতিমতো শোরগোল তুঙ্গে। উল্লেখ্য, যে ছবির নাম ঠিক হওয়া তো দূর এখনও চিত্রনাট্যই লেখা হয়নি সেই ছবির অগ্রিম টিকিট বুক মাই শোতে আপলোড হতে যেরকম হাউসফুলের ঝড় দেখা গিয়েছে তা ভারতীয় বিনোদুনিয়ায় বিরল শুধু তাই নয়, তা যে সাম্প্রতিককালে দেখা যায়নি সে কথাও বলাই বাহুল্য।
যদিও সেন্সর ছাড়া এভাবে কোনও ছবি বুক মাই শোতে অগ্রিম বুকিংয়ের জন্য আনা যায় কিনা তা নিয়ে চলছে বিস্তর জলঘোলা। শুরু হয়েছে চরম বিতর্ক। তার কারণ কনসার্ট হিসাবে কোনও ইভেন্টের অগ্রিম বুকিংয়ের ক্ষেত্রে কোনও সেন্সর প্রয়োজন হয় না, এই প্রসঙ্গটি তুলে ধরেছেন নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক এক পরিবেশক। মেগাস্টার দেব অবশ্য ন'মাস আগে তাঁর ও শুভশ্রীর আগামী ছবিকে ঘিরে অতন্ত ইতিবাচক দিকই দেখছেন। এদিন এপ্রসঙ্গে দেব বলেন, "বাংলা সিনেমার ইতিহাসে যা হল তা নিয়ে সকলের গর্ব করা উচিত। পাশাপাশি তিনি অভিযোগ করেন, "কেউ কেউ সেন্সর বোর্ড ও বুক মাই শো'কে মেল পাঠিয়ে এই সুন্দর প্রয়াসকে আটকানোর চেষ্টা করছে। বুক মাই শো সেই মেল আমাকে পাঠিয়ে বিষয়টা জানিয়েছে। এমনকী প্রযোজনা সংস্থার নামও আমাকে পাঠিয়েছে। সকলের যেখানে গর্বিত হওয়া উচিত সেখানে কেউ কেউ আমার এই প্রয়াসকে বাধা দিচ্ছে।
দেব আরও বলেন, "আমরা একটা ফার্স্ট ডে ফার্স্ট শোয়ের ইভেন্টের কথা ভাবনাচিন্তা করছি। সেখানে আমি গান চালাব না সিনেমা দেখাবো তা আপাতত সারপ্রাইজ থাকুক। বাংলা ছবির ইতিহাসে আমি যা করে দিলাম তাতে ইন্ডাস্ট্রির সম্মান বাড়বে বই কমবে না।" উল্লেখ্য, 'দেশু' সিনেমায় আসতে বাকি এখনও ন'মাস। কিন্তু তা পর্দায় আসার আগে যা হল তাতে মুক্তির সময় কী হবে তা সহজেই অনুমেয়। মাত্র একদিনে ৩৫১২টি টিকিট বিক্রি হয়েছে। তারকাজুটির শেয়ার করা পোস্টে দাবি, সল্টলেক, বারাসত থেকে চন্দননগর, বহরমপুরের নির্ধারিত হলের সব টিকিট মুহূর্তের মধ্যে শেষ।
