'ধুরন্ধর ২' জ্বরে বুঁদ তেরো থেকে তিরাশি। মুক্তির ১১ দিনে অর্থাৎ দ্বিতীয় শনিবার ভারতে ৭৭৮.৭৭ কোটির ব্যবসা করেছে। আর বিশ্বজুড়ে এই ছবির মোট আয়ের পরিমাণ ১,২২৬ কোটি। দর্শকের উত্তেজনা উসকে সিনেমার সাফল্যের মাঝে প্রকাশ্যে এসেছে ক্যামেরার পিছনের নানা কাহিনি। রণবীর সিং কীভাবে হামজা আলি মাজার হয়ে উঠেছেন বা ইয়ালিনা জামালের চরিত্রে সারা অর্জুন চূড়ান্ত হওয়ার গল্প মন ছুঁয়েছে সিনেপ্রেমীদের। 'ধুরন্ধর ২' (Dhurandhar 2) যেভাবে বক্স অফিস দখল করে রেখেছে, এই ছবির নেপথ্যে অজানা গল্প জানার উন্মাদনাও বাড়ছে দর্শকের মনে। এক সাক্ষাৎকারে বিমল ওবেরয় নিজেই ফাঁস করলেন আরও এক ঘটনা যা শুনে রীতিমতো তাজ্জব বনে গিয়েছে সাধারণ মানুষ।
আদিত্য ধর পরিচালিত 'ধুরন্ধর ২' ছবিতে বালোচ প্রধান শিরানির চরিত্রে অভিনয় করেছেন বিমল ওবেরয়। তিনি মূলত কেরিয়ার শুরু করেছিলেন দালের মেহেন্দির একটি গানের অ্যালবামের মাধ্যমে। এই খবর সামনে আসতেই সমাজমাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া নেটিজেনদের। এক্স হ্যান্ডেলে এক ব্যক্তি ধুরন্ধরের ছবির সঙ্গে সেই মিউজিক ভিডিওর একটি ছবি পোস্ট করে লেখেন, 'বালোচ প্রধান শিরানি এই লোকটাই!!!'
এক সাক্ষাৎকারে বিমল স্মৃতিচারণ করে বলেন, "দালের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, ডেবিউ অ্যালবাম 'বলো তা রা রা' মুক্তির পর তাঁকে মুম্বই নিয়ে যাবেন।"
কেউ আবার বালোচকে নিয়ে রসিকতা করে লিখেছেন, 'তাহলে কি ছোটবেলায় বালোচ ছেড়ে দিয়েছিলেন?' আর এক নেটিজেনের মন্তব্য, 'বালোচ প্রধান তো ক্লাইম্যাক্সে বল্লে বল্লে করেই দিল!' অনেকে আবার শুধু বিস্ময় প্রকাশ করে কমেন্ট বক্সে লিখেছেন, 'ওয়াও' বা 'ওহ বাবা রে'।
এক সাক্ষাৎকারে বিমল জানান, দালের তাঁর কাছে একজন বন্ধু, ভাই ও মেন্টর। স্মৃতিচারণ করে বলেন, কীভাবে নয়ের দশকে তাঁদের বন্ধুত্ব হয়েছিল এবং দালের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তাঁর ডেবিউ অ্যালবাম 'বলো তা রা রা' মুক্তির পর তাঁকে মুম্বই নিয়ে যাবেন। তিনি সেই কথা রেখেছিলেন এবং এক বছরের জন্য প্রতি মাসে দশ হাজার করে মোট বারোটি চেক দিয়েছিলেন।
দালের যখন তাঁর জনপ্রিয় গান 'হো জায়েগি বল্লে বল্লে'-এর শুটিং করছিলেন, তখন তিনি বিমলকে সেখানে অভিনয়ের সুযোগ দেন। তিনি বলেন, "আমি তো শুধু শুটিং দেখতে গিয়েছিলাম। পরিচালকরা বললেন, একটা চরিত্র আছে বিমলকে দেওয়া যায়? পাজি অর্থাৎ দালের সঙ্গে সঙ্গেই রাজি হয়ে যান। আমি মিউজিক ভিডিওতে একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করি আর গানটি দারুণ হিট হয়ে যায়।" আরও জানান, অনুভব সিনহার 'তুন বিন' ছবির মাধ্যমে তাঁর চলচ্চিত্র যাত্রা শুরু এবং তাঁর কাছ থেকেই প্রোডাকশনের খুঁটিনাটি শিখেছেন।
