টিনসেল টাউনে কানাঘুষো, ধর্মা প্রোডাকশনের সময়টা নাকি মোটেই ভালো যাচ্ছে না। একে মন্দা বাজার। উপরন্তু একের পর এক ছবিতে তারকাদের গগনচুম্বী পারিশ্রমিক আর বক্স অফিসে ভাঁটার জেরে বড়সড় লোকসানের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন প্রযোজক করণ জোহর। বলিউডের বাস্তুতন্ত্রে টিকে থাকতে ইতিমধ্যেই প্রযোজনা সংস্থার অর্ধেক মালিকানা হস্তান্তর করেছেন আদর পুনাওয়ালার কাছে। বর্তমানে আবার সোশাল পাড়াতেও তিনি বেশ সক্রিয়। একসময়ে বলিপাড়ার যেসব সেলেবদের দেখে ভ্রু কোঁচকাতেন, আজকাল তাঁদের প্রশংসাতেই পঞ্চমুখ পরিচালক-প্রযোজক! তবে এবার নাকি সোশাল মিডিয়ায় চোখ রাখা দায় হয়ে উঠেছে করণের। আর সেই প্রেক্ষিতেই বড়সড় সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন তিনি।
সোমবার গভীর রাতে করণ জোহর জানান, আপাতত 'ডিজিটাল ডিটক্স'-এর পথে হাঁটবেন তিনি। ক'দিন মোটেই সোশাল পাড়ার কেচ্ছায় চোখ রাখবেন না! করণের মন্তব্য, "একসপ্তাহের জন্য সমস্ত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম থেকে নিজেকে ডিটক্স করার সিদ্ধান্ত নিলাম। আর মোবাইলে স্ক্রল নয়! কোনও মেসেজ চালাচালি নয়। কোনও পোস্টও করব না। আশা করি এসব থেকে বিরত থাকার জন্য ব্রহ্মাণ্ড আমাকে শক্তি জোগাবেন।" পরিচালক-প্রযোজকের এহেন মন্তব্যের পরই নেটবাসিন্দাদের একাংশের ভ্রুযুগল আন্দোলিত হয়েছে! কারণ সেলেবদের হাড়ির খবর বের করা থেকে তাঁদের বেডরুম সিক্রেট ফাঁস করা, এমনকী সেসব নিয়ে বন্ধুবৃত্তে চর্চা করা যাঁর অভ্যেস, সেই তিনিই কিনা সোশাল মিডিয়া থেকে বাণপ্রস্থ ঘোষণা করলেন? প্রশ্ন তুলেছেন একাংশ। কেউ বা আবার সন্দেহ প্রকাশ করে বলছেন, কিছুতেই হজম হচ্ছে না!
উল্লেখ্য, 'ডিজিটাল ডিটক্স'-এর পথে হাঁটার আগে করণ জোহর ধারাবাহিকভাবে সোশাল মিডিয়ায় কখনও 'ধুরন্ধর' পরিচালক আদিত্য ধর, কখনও বা তাঁর স্ত্রী অভিনেত্রী ইয়ামি গৌতমের 'হক' পারফরম্যান্সের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। আবার কখনও বা করণের ইনস্টা স্টোরিতে প্রশংসা পেয়েছে সানি দেওলের 'বর্ডার ২'। সেসব পোস্ট দেখেই সিনেমহলের একাংশ অনুমান করেছিলেন, এবার হয়তো ধর্মা থেকে বেরিয়ে অন্য প্রযোজনা সংস্থার সঙ্গে কাজ করতে চাইছেন করণ জোহর! সেই স্ট্র্যাটেজি বিফলে যেতেই কি সোশাল মিডিয়াকে 'আলবিদা' জানালেন পরিচালক-প্রযোজক? কৌতূহল তুঙ্গে।
