গত নভেম্বরেই স্মৃতি মন্দানার সঙ্গে বিয়ে ভেঙেছিল পলাশ মুছলের। বিয়ে ভাঙাার পর সোশাল মিডিয়ায় দর্শক-অনুরাগীদের কাছে সেভাবে বহুদিন ধরা দেননি পলাশ। ছিলেন অন্তরালেই। তারপর হঠাৎই কয়েকদিন আগে সোশাল মিডিয়া মারফতই জানা যায় যে অতীত ঝেড়ে ফেলে এবার নাকি কাজে মন দিতে চলেছেন তিনি। শোনা যায় যে, এবার নাকি পরিচালকের আসনে দেখা যাবে তাঁকে। আর সেই আলোচনার মাঝেই প্রকাশ্যে আসে পলাশের বিরুদ্ধে চল্লিশ লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগ।
সাংলির জনৈক প্রযোজক পলাশের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনেন। তিনি দাবি করেন তাঁর কাছ থেকে ছবি বানানোর নামে পলাশ নাকি ২০২৪ সালে ৪০ লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন। কিন্তু ছবি নির্মাণের কোনওরকম কাজ এগোয়নি। এই নিয়ে যখন বিনোদুনিয়া সরগরম তখন মুখ খুললেন পলাশ। সোশাল মিডিয়ায় এই নিয়ে তিনি এদিন জানান, 'সাংলির বৈভব মানে আমার বিরুদ্ধে যা যা অভিযোগ এনেছেন সবটাই ভিত্তিহীন। এসব একেবারেই ভুয়ো। আমার ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য এমনটা করা হচ্ছে। আমি এই বিষয় নিয়ে আইনি পথে হাঁটব। আমার আইনজীবী শ্রেয়াংস মিঠারে বিষয়টি দেখছেন। আমি এর জবাব দেবই।"
বলে রাখা ভালো, স্মৃতির সঙ্গে বিয়ে ভাঙার পর থেকেই পলাশকে নিয়ে নানা অভিযোগ উঠেছে। প্রতারণার অভিযোগে অনেক আগে থেকেই জর্জরিত তিনি। এবার কি এই ঘটনার সূত্র ধরেই বিয়ে ভাঙার পর তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ও ভাবমূর্তি নষ্ট করার মতো বিষয়কেই তুলে ধরলেন? সেই প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। জানা গিয়েছে যে, ওই প্রযোজকের সঙ্গে পলাশের পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন প্রাক্তন বান্ধবী স্মৃতির বাবা শ্রীনিবাস মন্দানা। সাংলিতে স্মৃতির পৈতৃক ভিটে রয়েছে। পলাশ যখন সেখানে গিয়েছিলেন স্মৃতির বাবা শ্রীনিবাসন তাঁর সঙ্গে প্রযোজক বৈভব মানের পরিচয় করিয়ে দেন। যিনি আবার স্মৃতির শৈশবের বন্ধু। এবার বিয়ে ভাঙার পরও সেই ৪০ লক্ষ টাকা না পাওয়ায় বৈভব থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেছেন। তারপর তাঁর সঙ্গে আলাপ আলোচনার পর সিনেমার কাজ দ্রুত শেষ করে তা মুক্তির প্রতিশ্রুতি নাকি দিয়েছিলেন পলাশ। কিন্তু তা হয়ে ওঠেনি। তারপর গঙ্গা দিয়ে বয়ে গিয়েছে অনেক জল। প্রযোজকের সঙ্গে নাকি সমস্ত যোগাযোগ ছিন্ন করেছেন পলাশ এমন অভিযোগ নিয়েই পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছিলেন সাংলির ওই প্রযোজক। এবার এই নিয়ে মুখ খুললেন পলাশ মুছল।
