রাজ্যে পালাবদলের পর থেকেই চর্চায় ইস্টার্ন ইন্ডিয়া মোশন পিকচার্স অ্যাসোসিয়েশন (ইম্পা)। ছাব্বিশের নির্বাচনে গেরুয়া ঝড়ের প্রভাব পড়েছে টলিউডেও। গত মে মাসে সংগঠনের নতুন সভাপতি নির্বাচন নিয়ে ইম্পার দপ্তর রীতিমতো রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছিল। পিয়া সেনগুপ্তর পদত্যাগের দাবিতে বারবার সরব হয়েছেন রতন সাহা, শতদীপ সাহাদের বিক্ষুব্ধ গোষ্ঠী। সূত্রের খবর, নানা টালবাহানার পর সম্প্রতি ইম্পার সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন পিয়া সেনগুপ্ত। ফলত সাংগঠনিক কাজকর্ম আপাতত শিকেয়! এমতাবস্থায় ইম্পার নতুন সভাপতি কে? তা নিয়ে টলিপাড়ার অন্দরে বিস্তর জলঘোলা শুরু হয়েছে।
পিয়ার বিরুদ্ধে একাধিক কারচুপির অভিযোগ তুলে তাঁর পদত্যাগের দাবিতে সরব হন রতন সাহা, শতদীপ সাহাদের বিক্ষুব্ধ গোষ্ঠী। এমতাবস্থায় পিয়া ইম্পার অফিসে আসাই বন্ধ করে দেন!
সরকার বদলের পর গত আড়াই মাসে নানা সাংগঠনিক তরজা নিয়ে খবরের শিরোনামে থেকেছে ইস্টার্ন ইন্ডিয়া মোশন পিকচার্স অ্যাসোসিয়েশন। পিয়ার বিরুদ্ধে একাধিক কারচুপির অভিযোগ তুলে তাঁর পদত্যাগের দাবিতে সরব হন রতন সাহা, শতদীপ সাহাদের বিক্ষুব্ধ গোষ্ঠী। এমতাবস্থায় পিয়া ইম্পার অফিসে আসাই বন্ধ করে দেন। এমন আবহে পিয়ার কমিটিকে বেআইনি তোপ দেগে রতন সাহাকে অস্থায়ীভাবে ইমপার সভাপতি ঘোষণা করা হয়েছিল। তখন পিয়ার গোষ্ঠী দাবি করেছিলেন, তাঁরা ভোটে জিতে এসেছেন এবং তাঁদের কমিটি বৈধ। তবে এই তরজায় আপাতত ইতি। জানা গিয়েছে, জুন মাসে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন পিয়া সেনগুপ্ত। ১০ জুলাই তাঁর পদত্যাগপত্র গৃহীত হয়েছে। পিয়ার পদত্যাগের পরে কৃষ্ণ দাগা সভাপতি হয়েছেন বলে যে খবর ছড়িয়ে পড়েছিল তা সম্পূর্ণ মিথ্যে বলে দাবি করেছেন সিনে পরিবেশক শতদীপ সাহা। তাঁর কথায়, 'পিয়া সেনগুপ্ত পদত্যাগ করার পরে কৃষ্ণ দাগা সভাপতি হয়েছেন বলে যে খবর ছড়িয়ে পড়েছে তা সম্পূর্ণ ভুয়ো।
গত ২২ মে জেনারেল বডির মিটিংয়ে রতন সাহাকে ইন্টারিম প্রেসিডেন্ট হিসেবে মনোনীত করা হয়। সেই মিটিংয়ে তিনশোর বেশি সদস্য উপস্থিত ছিলেন। তাই ইম্পার ইন্টারিম প্রেসিডেন্ট পদে রতন সাহাই রয়েছেন।' উল্লেখ্য, সোমবার নন্দনে বিধায়ক, প্রযোজক, টেকনিশিয়ান্স এবং সরকারি আধিকারিকদের নিয়ে একটি জরুরি বৈঠক হয়। উপস্থিত ছিলেন রাজ্য সরকারের তরফ থেকে টলিউডের দায়িত্বপ্রাপ্ত চার বিধায়ক রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, পাপিয়া অধিকারী, রুদ্রনীল ঘোষ, হিরণ চট্টোপাধ্যায়। কলাকুশলীদের তরফে সোমনাথ কুন্ডু সহ আরও অনেকে।
