৯ কোটির চেক বাউন্স মামলায় রাজপাল যাদবের পাশে দাঁড়িয়েছে বলিউডের একাংশ। আর তার ফলেই চেক বাউন্স মামলায় ইতিমধ্যেই অর্ধেক বকেয়া মিটিয়ে ফেলেছেন অভিনেতা। এবার অভিনেতার পাশে দাঁড়ালেন পরিচালক প্রিয়দর্শন। তবে আর্থিক সাহায্য দিয়ে নয়। বরং নতুন ছবিতে অভিনয়ের সুযোগ দিয়ে রাজপালের পাশে দাঁড়ালেন পরিচালক।
সম্প্রতি এক সর্বভারতীয় সাক্ষাৎকারে রাজপাল যাদব ইস্যুতে মুখ খোলেন পরিচালক প্রিয়দর্শন। তিনি জানান, তাঁর প্রযোজনা সংস্থা 'জুবিলি ফিল্ম' রাজপালের পাশে দাঁড়াবে তাঁকে নতুন ছবিতে অভিনয়ের সুযোগ দিয়ে। এখানেই শেষ নয়। একইসঙ্গে রাজপালের যা পারিশ্রমিক তার দ্বিগুণ পারিশ্রমিক দেওয়া হবে তাঁকে এমনটাও জানান তিনি। একইসঙ্গে জানিয়েছেন খল চরিত্রে ওই ছবিতে দেখা যাবে রাজপালকে। সমস্ত পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই রাজপালের কথা ভেবেছেন পরিচালক।
২০০০ সালে প্রথম 'জাঙ্গল' ছবিতে রাজপালকে দেখেছিলেন পরিচালক প্রিয়দর্শন। সেই প্রথম সাক্ষাতেই অভিনেতার অভিনয় দেখে মুগ্ধ হয়েছিলেন তিনি। এরপর ২০০৬ সালে প্রিয়দর্শনের পরিচালনায় 'মালামাল উইকলি'তে প্রথম অভিনয় রাজপালের। এরপর থেকে প্রিয়দর্শনের প্রায় সব ছবিতেই দেখা গিয়েছে রাজপালকে। এমনকী বিজ্ঞাপনী ছবিতে পরিচালকই রাজপালকে অভিনয়ের জন্য উদ্বুদ্ধ করেছিলেন। ওই সাক্ষাৎকারে প্রিয়দর্শন আরও বলেন, "রাজপাল অত্যন্ত ভালো মনের মানুষ। ওর মনে কোনও প্যাঁচ নেই। ও একটা ভুল পদক্ষেপ করে ফেলেছে। তারই ফল ভুগছে। এর বেশি কিছু না।"
২০০০ সালে প্রথম 'জাঙ্গল' ছবিতে রাজপালকে দেখেছিলেন পরিচালক প্রিয়দর্শন। সেই প্রথম সাক্ষাতেই অভিনেতার অভিনয় দেখে মুগ্ধ হয়েছিলেন তিনি। এরপর ২০০৬ সালে প্রিয়দর্শনের পরিচালনায় 'মালামাল উইকলি'তে প্রথম অভিনয় রাজপালের।
রাজপাল যাদব, ছবি- সোশাল মিডিয়া
বলে রাখা ভালো, ২০১০ সালে ‘আতা পাতা লাপাতা’ সিনেমার জন্য মুরালি প্রজেক্ট নামে দিল্লির এক সংস্থার থেকে ৫ কোটি টাকা ধার করেছিলেন অভিনেতা। সেই ছবির বক্স অফিসে ভরাডুবি হওয়ায় টাকা ফেরত দিতে পারেননি তিনি। ফলত, মামলা গড়ায় আদালত অবধি। ২০১৮ সালের এপ্রিল মাসে ম্যাজিস্ট্রেট আদালত রাজপালকে ৬ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছিল। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে দিল্লি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন অভিনেতা এবং তাঁর স্ত্রী। চেক বাউন্সের মামলায় সেসময়ে তাঁদের সাজা স্থগিত হয়ে যায়। ২০২৪ সালে ফের দোষী সাব্যস্ত হলেও রাজপালের সাজা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়। মামলাকারীদের সঙ্গে সমঝোতা করে বা অর্থ ফেরত দিয়ে বিষয়টির নিষ্পত্তি হয়ে যাবে বলেই আশা করেছিল আদালত। কিন্তু জানা গিয়েছে, গত বছর অক্টোবর মাসে দেড় কোটি টাকা ডিমান্ড ড্রাফটে জমা দিয়েছেন রাজপাল। তবে তারপরেও টাকা শোধ করতে পারেননি অভিনেতা।
