'নমস্কার, কেমন আছেন সবাই...', এই অভ্যর্থনার সঙ্গে সকলেই পরিচিত। বিশ্বজুড়ে সকলের কাছেই অত্যন্ত প্রিয় 'প্রবাসে ঘরকন্না'র মহুয়া গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁর দিনলিপির ভিডিও দেখতে ভালোবাসেন না, এমন লোক নেই বললেই চলে। শাশুড়ির মৃত্যুতে ভ্লগ বানিয়ে বিতর্কে জড়ালেন সেই মহুয়া। পরিবারের এমন দুঃসময়েও অর্থের জন্য ক্যামেরা অন করে কান্নাকাটি কেন? সেই প্রশ্ন তুলেছেন অধিকাংশই। যদিও কেউ কেউ আবার সমর্থন করেছেন তাঁকে।
মেদিনীপুর মিশন গার্লস স্কুলের ছাত্রী মহুয়া গঙ্গোপাধ্যায়। স্বামী-সন্তানদের নিয়ে থাকেন ভিনদেশে। সেখানে বসেই নিয়ে প্রতিদিন পৌঁছে যান বিশ্বের প্রতিটি মানুষের ঘরে। তাঁর লাইফস্টাইল ভ্লগের অনুরাগী আট থেকে আশি সকলে। কারণ, তাঁর বাচনভঙ্গি। তাঁর মিষ্টি কথায় মন মজতে বাধ্য। কিন্তু সেই মহুয়াই এবার বিতর্কে। জানা গিয়েছে, দিন কয়েক আগে মৃত্যু হয়েছে তাঁর শাশুড়ির। স্বাভাবিকভাবেই তড়িঘড়ি ছুটে এসেছেন দেশে। কিন্তু পরিবারের এমন এক কঠিন সময়েও বন্ধ থাকেনি তাঁর ক্যামেরা।
কমেন্টে কেউ লিখেছেন, "টাকা কামাতে মারা যাওয়া মানুষকেও ছাড়বে না।" কেউ লিখেছেন, "চারজনের জন্য জরুরি বিমানের টিকিট কেনার জন্য তহবিল সংগ্রহের চমৎকার উপায়, মানুষ হিসেবে আপনারা লজ্জাজনক।" কেউ লিখেছেন, "মানিকবাবুর (মহুয়ার স্বামী) মুখে হালকা হাসি বুঝিয়ে দিচ্ছে বুকের মধ্যে কি হচ্ছে।"
২ দিন আগে শাশুড়ির মৃত্যু নিয়ে একটি ভ্লগ পোস্ট করা হয় প্রবাসে ঘরকন্নার (Probashe Ghorkonna) ইউটিউব পেজে। সেখানে শাশুড়ির শায়িত দেহের সামনে বসে কান্নাকাটি থেকে শুরু করে শেষযাত্রা, প্রতিমুহূর্তের ক্লিপই ছিল। যা দেখে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন অনুরাগীরা। তাঁর এমন আচরণ মানতে পারছেন না কেউ। অধিকাংশেরই দাবি স্রেফ, অর্থের নেশায় একাজ করেছেন তিনি। কমেন্টে কেউ লিখেছেন, "টাকা কামাতে মারা যাওয়া মানুষকেও ছাড়বে না।" কেউ লিখেছেন, "চারজনের জন্য জরুরি বিমানের টিকিট কেনার জন্য তহবিল সংগ্রহের চমৎকার উপায়, মানুষ হিসেবে আপনারা লজ্জাজনক।" কেউ লিখেছেন, "মানিকবাবুর (মহুয়ার স্বামী) মুখে হালকা হাসি বুঝিয়ে দিচ্ছে বুকের মধ্যে কি হচ্ছে।" সোশাল মিডিয়ায় রীতিমতো কাটাছেঁড়া চলছে 'প্রিয়' প্রবাসে ঘরকন্নাকে নিয়ে।
