shono
Advertisement
Asha Bhosle-Saira Banu

আশা ভোঁসলের সঙ্গে শেষ সাক্ষাতে কী কথা হয়? স্মৃতিচারণায় সায়রা বানু

মৃত্যুর মাসখানেক আগেও আশা ভোঁসলের সঙ্গে দেখা হয়েছিল বর্ষীয়ান অভিনেত্রী সায়রা বানোর। স্মৃতির সাগরে ডুব দিয়ে শেষ সাক্ষাৎ নিয়ে কী বললেন আশার বান্ধবী?
Published By: Kasturi KunduPosted: 11:01 AM Apr 13, 2026Updated: 03:51 PM Apr 13, 2026

রবিবার চিরঘুমে আশা ভোঁসলে। কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পীর প্রয়াণে গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন লেজেন্ডারি অভিনেত্রী সায়রা বানু। মৃত্যুর মাসখানেক আগেও আশা ভোঁসলের সঙ্গে দেখা হয়েছিল সায়রার। রমজান মাসেই একটি অনুষ্ঠানে দুজনের শেষ সাক্ষাৎ, অনেকক্ষণ তাঁরা একসঙ্গে কথাবার্তাও বলেন। সেই সময়ই আশাজিকে বেশ ক্লান্ত দেখাচ্ছিল। তাঁর চেহারার দুর্বলতায় মন খারাপ হয়েছিল সায়রা বানুর। স্বনামধন্য সঙ্গীতশিল্পী আশা ভোঁসলের জীবনাবসানের পর তাঁর সঙ্গে শেষ সাক্ষাৎয়ের স্মৃতিচারণ করেন বলিউডের এই বর্ষীয়ান অভিনেত্রী। বন্ধুকে হারিয়ে মনের ভিতর তৈরি হয়েছে গভীর শূন্যতা। আর হবে নাই বা কেন! সেই ছয়ের দশক থেকে একসঙ্গে কাজ করেছেন। সায়রার লিপে আশার গান আজও দোলা দেয় সঙ্গীতপ্রেমীদের হৃদয়ে।

Advertisement

১৯৬৮ সালে 'পড়োশান' ছবির 'ম্যায় চলি ম্যায় চলি' থেকে শুরু করে 'আদমি অউর ইনসান'-এর 'জিন্দেগি ইত্তেফাক হ্যায়', 'পূরব অউর পশ্চিম'-এর 'তুজকো দেখা কর', 'দূর কী আওয়াজ' ছবির 'মোহে তিরছি নজরিয়া না মারো' সহ একাধিক আইকনিক গানে আশা-সায়রার যুগলবন্দি যুগে যুগে সমাদৃত। এছাড়াও ঝুলিতে রয়েছে আরও অনেক গান। বার্ধক্যজনিত কারণে আজ দুজনের চুলেই পাক ধরেছে, স্বাভাবিকভাবে চামড়াও কুচকে গিয়েছে। যৌবনের লাবণ্য ফিকে হলেও সম্পর্কের বন্ধন অটুট। তাই আশা ভোঁসলের মৃত্যুর খবরে উদ্বিগ্ন সায়রা বানু।

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সায়রা বানো বলেন, "রমজান মাসেই আমাদের কথা হয়েছিল। আমি ওঁর একটি সাক্ষাৎকার দেখেছিলাম, যেখানে রমজান, ঈদ এবং রোজার প্রতি ভালোবাসার কথা বলছিলেন। আমি সেটা শুনে খুব অবাক হয়ে গিয়েছিলাম। সেই জন্যই ফোন করেছিলাম যে ওঁর সঙ্গে এগুলো নিয়েই একটু কথা বলব। ওটাই ছিল আমাদের শেষ কথা। তখন বুঝতেই পারিনি যে হঠাৎ এভাবে অসুস্থ হয়ে পড়বেন। এটা আমার কাছে ভীষণ অপ্রত্যাশিত একটি ঘটনা।"

বন্ধুকে হারানোর যন্ত্রণা ভাগ করে সায়রা বানো এক সাক্ষাৎকারে বলেন, "আশা ভালো খাবারের বিষয়ে ভীষণ শৌখিন ছিলেন। ওঁর একটি রেস্তোরাঁও আছে। যাঁদের ভালোবাসি তাঁদের হারানো সত্যিই খুব বেদনাদায়ক।"

আরও যোগ করেন, "আমার যতদূর মনে পড়ছে একটি অনুষ্ঠানে সম্ভবত অর্জুন তেণ্ডুলকরের বিয়েতে দেখেছিলাম। তখন খুব দুর্বল দেখাচ্ছিল। ওখানেই শেষবার দেখেছিলাম। ওঁর এই অবস্থায় দেখে আমার খুব খারাপ লেগেছিল। ভাবতেই পারিনি যে হঠাৎ করে এতটা অসুস্থ হয়ে পড়বেন।"

সায়রার সংযোজন, "আশা এবং লতাজি আমাদের পরিবারের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন। আমরা একসঙ্গে অনেক সময় কাটিয়েছি। দিলীপ সাহেব এবং আমার ওঁদের সঙ্গে অনেক সুখের স্মৃতি রয়েছে। আমরা তো একেবারে সেই পুরোনো দিনের, ধ্রুপদী মনের মানুষ। গান, খাওয়াদাওয়া নিয়ে অনেক আড্ডা হত।"

নিজের রেস্তরাঁয় আশা ভোঁসলে। ফাইল ছবি।

বন্ধুকে হারানোর যন্ত্রণা ভাগ করে বলেন, "আশা ভালো খাবারের বিষয়ে ভীষণ শৌখিন ছিলেন। ওঁর একটি রেস্তরাঁও আছে। যদিও আমি কখনো ওঁর রান্না খাইনি, কিন্তু আশাজি আর লতাজি আমাদের বাড়িতে খেতে আসতেন। একজন বন্ধুকে হারানোর কী ভয়ংকর অনুভূতি! যাঁদের ভালোবাসি তাঁদের হারানো সত্যিই খুব বেদনাদায়ক।"

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement