একসপ্তাহের টালবাহানার পর শেষমেশ রবিবাসরীয় সকালে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন জোসেফ বিজয় চন্দ্রশেখর ওরফে থলপতি বিজয়। বিজয়ের জীবনের সবথেকে বড়দিনে স্ত্রী কিংবা সন্তানরা উপস্থিত না থাকলেও সংশ্লিষ্ট অনুষ্ঠানে হাজির থেকে সমস্ত লাইমলাইট কেড়ে নিয়েছেন চর্চিত প্রেমিকা তৃষা কৃষ্ণণ। শুধু তাই নয়, তামিলভূমের নতুন মুখ্যমন্ত্রীর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও দক্ষিণী নায়িকার কুশল-মঙ্গল বিনিময়ের ক্যামেরাবন্দি মুহূর্ত নিয়ে ফিসফাসের অন্ত নেই! মঞ্চে দাঁড়িয়ে থলপতি যখন শপথবাক্য পাঠ করছেন, তখন দর্শকাসনে বসে অশ্রুসজল নয়নে চেয়েছিলেন বিজয়ের 'স্ট্রাগল'-এর সাক্ষী তৃষা। এহেন ভিডিও দেখে নেটভুবনের একাংশ আবেগে ভাসলেও তামিলভূমের সিনেইন্ডাস্ট্রির অন্দর থেকেই এবার তৃষার বিরুদ্ধে চরম তোপ দাগা হল।
"পক্ষপাতদুষ্ট হয়েই কথাগুলো বলছি। 'পরজীবী'রা সাধারণত সফল মানুষদের জীবনে তখনই প্রবেশ করে, যখন সেই মানুষগুলো একাকীত্বে কাটান।..."
বিজয়-তৃষার প্রেমে সিলমোহর?
বিজয়ের শপথগ্রহণের পর থেকেই তৃষা কৃষ্ণণ যে হারে সোশাল পাড়ায় ট্রেন্ডিং, এমন আবহে এক সাক্ষাৎকারে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন জনপ্রিয় গায়িকা সুচিত্রা। দক্ষিণী সুন্দরীকে 'পরজীবী' বলে কটাক্ষ করে তাঁর মন্তব্য, "আমি তৃষাকে একদমই পছন্দ করি না। আমি সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে একথা বলছি এবং আমার ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দকে আমার মূল্যায়নের উপর কোনওদিনই প্রভাব ফেলতে দিইনি, দেবও না। বিজয়কে আমি খুব পছন্দ করি। তাই পক্ষপাতদুষ্ট হয়েই কথাগুলো বলছি। 'পরজীবী'রা সাধারণত সফল মানুষদের জীবনে তখনই প্রবেশ করে, যখন সেই মানুষগুলো একাকীত্বে কাটান।" এরপরই তৃষাকে তোপ দেগে সুচিত্রার মন্তব্য, বাবা-মা এবং স্ত্রী, সন্তানের কাছ থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে নিয়ে বিজয় কার্যত একা হয়ে পড়েছেন। বিজয় নিজের একাকীত্ব নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও আত্মবিশ্লেষণ বা আত্মসমীক্ষা করেননি। আর ঠিক এই সময়েই তিনি রাজনীতিতে এলেন। সত্যি বলতে কী, রাজনীতিতে টিকে থাকতে হলে বিজয়ের এখন বাবা চন্দ্রশেখরের সহায়তা প্রয়োজন। কারণ উনিই বিজয়কে রাজনীতির জটিল অঙ্ক সমাধান করে পথ দেখাতে পারেন।" এককথায় বিজেয়র ব্লকবাস্টার রাজনৈতিক ডেবিউয়ের নেপথ্যে 'প্রেমিকা' তৃষাকে কৃতীত্ব দিতে নারাজ সুচিত্রা।
গত কয়েক দশক ধরেই বিজয়-তৃষা জুটি তামিলভূমের সিনেইন্ডাস্ট্রিতে সুপারহিট। ২০০৮ সালে 'কুরুভি' ছবির পর আচমকাই তাঁদের প্রেমের গুঞ্জন রটে যায়। সেসময়ে নাকি অভিনেতার পরিবার নায়িকার থেকে দূরত্ব বজায় রাখার পরামর্শ দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে দীর্ঘদিন একসঙ্গে কাজও করেননি তাঁরা। কাট টু ২০২৬ সাল।...
এদিকে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের পর সোশাল পাড়ায় প্রেমময় বার্তা ভাগ করে নিয়ে সম্পর্কে সিলমোহরের ক্ষেত্রে আরও একধাপ এগিয়েছেন তৃষা কৃষ্ণণ। তিনি লিখেছেন, 'দ্য লভ ইজ অলওয়েজ লাউডার।' যার বাংলা তর্জমা করলে দাঁড়ায়- ভালোবাসা সবসময়ই জিতে যায়। আসলে গত কয়েক দশক ধরেই বিজয়-তৃষা জুটি তামিলভূমের সিনেইন্ডাস্ট্রিতে সুপারহিট। ২০০৮ সালে 'কুরুভি' ছবির পর আচমকাই তাঁদের প্রেমের গুঞ্জন রটে যায়। সেসময়ে নাকি অভিনেতার পরিবার নায়িকার থেকে দূরত্ব বজায় রাখার পরামর্শ দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে দীর্ঘদিন একসঙ্গে কাজও করেননি তাঁরা। কাট টু ২০২৬ সাল। থলপতি বিজয়ের নামের সঙ্গে সবসময়ে উচ্চারিত হচ্ছে তৃষা কৃষ্ণণের নাম।
