তিন দশক আগে পর্দায় ম্যাজিক দেখিয়েছিল 'রাজ' ও 'সিমরণ'। সিমরনের প্রেমের টানে সুদূর লন্ডন থেকে পাঞ্জাব পর্যন্ত চলে এসেছিল রাজ। হলুদ ফুলে ভরা সর্ষের ক্ষেতে প্রেমিকার জন্য বাহু প্রসারিত করেছিল। এক হাতে ছিল ম্যান্ডোলিন, অন্য হাতে টুপি। দৌড়ে এসে প্রেমিকের বুকে নিজেকে সঁপে দিয়েছিল সিমরন। এভাবেই সৃষ্টি হয়েছিল রুপোলি পর্দার রোম্যান্টিক ইতিহাস শাহরুখ-কাজলের 'দিলওয়ালে দুলহনিয়া লে জায়েঙ্গে'। যে সিনেমাকে আজও সগৌরবে মুম্বইয়ের বুকে বাঁচিয়ে রেখেছে মারাঠা মন্দির থিয়েটার। এবার সেই কালজয়ী ছবির শুটিং লোকেশনে পৌঁছেই আবেগঘন অনুপম খের। এমনকী 'ডিডিএলজে'র স্মৃতিতে বুঁদ হয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছেও বিশেষ আর্জি জানিয়ে ফেললেন অভিনেতা।
'দিলওয়ালে দুলহনিয়া লে জায়েঙ্গে'তে শাহরুখ-কাজল।
কৌতুকের মোড়কে সন্তানের প্রতি এক পিতৃহৃদয়ের বন্ধুত্ব, ভালোবাসার যে নির্দশন অনুপম দেখিয়েছিলেন নয়ের দশকে, তা আজও বিশ্বের শত কোটি পিতাকে অনুপ্রেরণা জোগাতে পারে। সম্প্রতি শাহরুখ-কাজলের 'রিল রোম্যান্সে'র সাক্ষী 'দিলওয়ালে দুলহনিয়া লে জায়েঙ্গে'তে দেখানো আপটা রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছে গিয়েছিলেন বর্ষীয়ান অভিনেতা। আর সেই ক্যামেরাবন্দি মুহূর্ত শেয়ার করেই মোদি সরকারের কাছে বিশেষ আর্জি রাখলেন।
'দিলওয়ালে দুলহনিয়া লে জায়েঙ্গে'র দৃশ্যে অনুপম খের।
সিনেমায় কিং খানের বাবা 'ধরমবীর'-এর চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন অনুপম। কৌতুকের মোড়কে সন্তানের প্রতি এক পিতৃহৃদয়ের বন্ধুত্ব, ভালোবাসার যে নির্দশন অনুপম দেখিয়েছিলেন নয়ের দশকে, তা আজও বিশ্বের শত কোটি পিতাকে অনুপ্রেরণা জোগাতে পারে। সম্প্রতি শাহরুখ-কাজলের 'রিল রোম্যান্সে'র সাক্ষী 'দিলওয়ালে দুলহনিয়া লে জায়েঙ্গে'তে দেখানো আপটা রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছে গিয়েছিলেন বর্ষীয়ান অভিনেতা। আর সেই ক্যামেরাবন্দি মুহূর্ত শেয়ার করেই মোদি সরকারের কাছে বিশেষ আর্জি রাখলেন তিনি। এক ভিডিও বার্তায় অনুপম খেরকে বলতে শোনা যায়, 'ডিডিএলজে'র শেষপাতে দেখানো ট্রেনের সিকোয়েন্সটি আজও বিশ্বের অগণিত দর্শক-অনুরাগীদের মনে রয়ে গিয়েছে। ট্রেনের সিকোয়েন্সটি সম্পর্কে অবগত নন, এমন মানুষ বোধহয় খুঁজে পাওয়া দায়! এটা অনেকটা 'দ্য গডফাদার' সিনেমার কোনও দৃশ্যের খোঁজে সিসিলিতে যাওয়ার মতোই এক অভিজ্ঞতা। এই জায়গাগুলি সত্যিই সব আইকনিক। এমন এক আইকনিক সিনেমায় আমাকে সুযোগ করে দেওয়ার জন্য যশরাজজি এবং আদিত্য চোপড়ার কাছে আমি কৃতজ্ঞ।" এখানেই অবশ্য থামেননি অনুপম খের।
প্রবীণ অভিনেতার সংযোজন, "শুটিং চলাকালীন আমাদের বিন্দুমাত্র ধারণা ছিল না যে, হিন্দি সিনেমার ইতিহাসে এমন এক মাইলফলক সৃষ্টি করতে চলেছি আমরা। তাই সরকারের কাছে আবারও অনুরোধ জানাচ্ছি যে এই আপটে রেলওয়ে স্টেশনটিকে যেন পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হয়।" অনুপম খেরের এহেন প্রস্তাবে সায় দিয়ে ইতিমধ্যেই শাহরুখ-কাজলদের 'জাবরা ফ্যান'রা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন।
