আইনের চোখে তিনি ঠগ। জেলে যাওয়ার পর থেকে জ্যাকলিন তাঁকে পাত্তা না দিলেও সুকেশ কিন্তু কোনও সুযোগই বাদ দিচ্ছেন না। যখনই মনে হচ্ছে, তখনই প্রেম নিবেদন। আর তা একেবারেই খালি হাতে নয়। এর আগে বড়দিনে গোটা একটা আঙুর বাগান উপহার দিয়ে প্রেমপত্র লিখেছিলেন তিনি। এবার প্রেমদিবসে দিলেন বিলাসবহুল হেলিকপ্টার! সঙ্গে একই ভাবে লম্বা চিঠি! তাতে জ্যাকলিনকে ‘বেবি বম্মা’ সম্বোধন করে সুকেশের ঘোষণা, জ্যাকলিনের হৃদয়ের প্রতিটি স্পন্দনই তাঁর!
হাতে লেখা সেই চিঠিতে জেলবন্দি সুকেশ জানিয়েছেন, জ্যাকলিনের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে জেলের এই ঠান্ডা দেওয়ালে বসে তাঁর নিজেকে সেই মানুষটা মনে হচ্ছে যে মরুভূমিতে একা হয়ে গিয়েছে। তাঁকে লিখতে দেখা গিয়েছে, 'তোমার প্রতিটি হৃদস্পন্দন আমার জন্য... বিশেষ করে আজকের দিনে তা আমাদের মধ্যেকার দূরত্বকে মনে করিয়ে দিচ্ছে। তবে যাই হয়ে যাক, আমাদের পরস্পরের প্রতি প্রেম তাতে নষ্ট হবে না।' সেই সঙ্গেই অভিনেত্রীকে তাঁর জন্য আইনি ঝামেলায় পড়তে হয়েছে দুঃখপ্রকাশও করেছেন সুকেশ। তবে সব ঝড় এবার থেমে যাবে বলে দাবি করে জ্যাকলিনের 'প্রেমিক' দাবি করেছেন, এবার সব কিছুর সমাধান হবেই, এবং অভিনেত্রীর মনে শান্তি ফিরে আসবে। সেই সঙ্গেই সুকেশের সদর্প ঘোষণা, 'আমার বেবি, তুমি শুধুই আমার! চিরকাল আমার আত্মায় তুমিই মিশে থাকবে। অন্য কোনও পুরুষ তোমার হৃদয়ের ভগ্নাংশও কখনও পাবে না। আজকের দিনে যদি কোনও প্রেমকাহিনি লেখা হয় তাহলে সেটা হবে আমার আর তোমার! আমার বট্টা বম্মাকে প্রেমদিবসের শুভেচ্ছা।'
তবে স্রেফ চিঠিই নয়, এর সঙ্গেই সুকেশের দাবি, তিনি জ্যাকলিনের জন্য আস্ত হেলিকপ্টার পাঠিয়ে দিয়েছেন। জানিয়েছেন, ওই এয়ারবাসে খোদাই করা রয়েছে জ্যাকলিনের নাম ও পদবির প্রথম অক্ষর। অন্দরসজ্জাও মনের মতো করে করিয়েছেন তিনি। মুম্বইয়ের ট্রাফিক এড়িয়ে সহজেই জ্যাকলিনকে গন্তব্যে পৌঁছে দিতে এমন উপহার তিনি দিলেন বলে দাবি সুকেশের। পাশাপাশি তাঁর আরও দাবি, এটা কিনতে পেরেছেন তাঁর কষ্টার্জিত অর্থ থেকে!
প্রসঙ্গত, দুর্নীতি কাণ্ডে জেল হওয়ার পর থেকেই সুকেশ চন্দ্রশেখরকে পাত্তা দেন না জ্যাকলিন। উলটে সুকেশের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ককে একেবারে ঝেড়ে ফেলতে চান। কিন্তু জ্যাকলিনকে কিন্তু কিছুতেই ভুলতে পারছেন না সুকেশ! জেলে বসেই বারবার জ্যাকলিন বন্দনায় মাততে দেখা গিয়েছে তাঁকে।
