চোট সারিয়ে কেকেআরের জার্সিতে এবারের আইপিএলে নামার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু ভারতীয় পেসার আকাশ দীপের পক্ষে তা আর সম্ভব হয়নি। পুরনো জায়গায় পুনরায় চোট পেয়ে আইপিএলই শেষ হয়ে যায় তাঁর। গোটা টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যান তিনি। তবে সব কিছু ঠিকঠাক চললে, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে মাঠে প্রত্যাবর্তন হতে পারে আকাশের। সেপ্টেম্বর মাসে দলীপ ট্রফি দিয়ে শুরু হবে নয়া ঘরোয়া ক্রিকেট মরশুম। বাংলা পেসার প্রাণান্ত চেষ্টা চালাচ্ছেন, সেই টুর্নামেন্ট থেকে ক্রিকেটের ময়দানে ফিরে আসতে।
শোনা গেল, গতকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার বেঙ্গালুরুর সেন্টার অফ এক্সেলেন্সে যোগ দিয়েছেন আকাশ। বল করা দূরস্থান। এখনও তাঁর রিহ্যাব প্রক্রিয়াই শুরু হয়নি। আসলে কুঁচকি আর কোয়াড্রিসেপসের মধ্যের জায়গায় চোট রয়েছে আকাশের। বাংলার প্রতি ভালোবাসায় যে যন্ত্রণা উপেক্ষা করে রনজি ট্রফি খেলে চলেছিলেন তিনি। জাতীয় ক্রিকেটমহলের অনেকেই বলাবলি করেন যে, বাংলা ক্রিকেটের প্রতি আকাশের আনুগত্য বরাবর অনুকরণীয়। বাংলার জার্সিতে ভালো পারফর্ম করা, বাংলাকে রনজি ট্রফি জেতানোর স্বপ্ন তাঁর বহুদিনের। চোটকে আমল না দিয়ে রনজি সেমিফাইনাল পর্যন্ত বাংলা জার্সিতে আকাশের লড়ে যাওয়া যার প্রমাণ। কিন্তু দুঃখের হল, চোটটাও তাতে বেড়ে গিয়েছে।
ওয়াকিবহাল মহলের খবর, আইপিএলের পর বেঙ্গল প্রো টি-টোয়েন্টি লিগেও খেলা হবে না আকাশের। খুব দ্রুত তাঁর রিহ্যাব পর্ব শুরু হবে। তার পর একে-একে রানিং, স্ট্রেংথনিং। পরবর্তী পর্বে ধীরে-ধীরে চল্লিশ-পঞ্চাশ শতাংশ 'লোডে' বোলিং শুরু করা। তার পর পুরোদমে বোলিং করতে শুরু করে দেওয়া। ভারতীয় পেসারের নাকি ধারণা যে, সেপ্টেম্বরের মধ্যে তিনি পুরোপুরি ফিট হয়ে নেমে পড়তে পারবেন দলীপ ট্রফিতে। আইপিএলের পর আফগানিস্তানের সঙ্গে সিরিজ রয়েছে ভারতের। জুলাই মাস নাগাদ শ্রীলঙ্কা সফরে টেস্ট সিরিজ খেলতে যাওয়ার কথা রয়েছে শুভমান গিলদের। সেই দু'টো সিরিজে সম্ভব নয়। তবে নতুন করে কোনও বিপত্তি না হলে, দেশের মাটিতে মহাগুরুত্বের বর্ডার-গাভাসকর ট্রফিতে পাওয়া যাবে আকাশ দীপকে।
