গুজরাট টাইটান্স: ২০৫/৩ (সুদর্শন ১০০, ভুবনেশ্বর ১/৩১)
রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু: ২০৬/৫ (বিরাট ৮১, দেবদত্ত ৫৫, রশিদ ২/৪৯)
পাঁচ উইকেটে জয়ী রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু
সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন প্রতিপক্ষ। তবু ক্রিকেটপ্রেমীদের হৃদয়ে রাজা হয়ে গেল ৮১ রানের একটা ইনিংস। কারণ সেটা তো এসেছে স্বয়ং বিরাট কোহলির ব্যাট থেকে। দলের স্বার্থে বারবার ব্যাট হাতে নেমেছেন 'কিং' কোহলি। এদিন যে সেঞ্চুরিটা তাঁর হল না, তার অন্যতম কারণ দলের রানের গতি বাড়ানোর চেষ্টা। দিনের শেষে অবশ্য জিতে মাঠ ছাড়ল আরসিবি। হাসি চওড়া হল বিরাটের।
ঘরের মাঠে আগের ম্যাচটা হেরে বেশ চাপে পড়ে গিয়েছিল আরসিবি। চিন্নাস্বামীতে বিরাটদের ব্যাটিং বিপর্যয় নিয়ে শুরু হয় চর্চা। সেদিনের দলের সর্বোচ্চ স্কোরার ফিল সল্টকেও নামানো যাচ্ছে না এদিন। সবমিলিয়ে গুজরাটের বিরুদ্ধে আরসিবি শিবিরে সমস্যা ছিল অনেক। কিন্তু সমস্যা যতই থাক না কেন, 'কিং' কোহলি আরসিবির মুশকিল আসান হয়ে উঠেছেন দিনের পর দিন। শুক্রবারও তাঁর অনবদ্য ইনিংস জয়ের ভিত গড়ে দিল গতবারের চ্যাম্পিয়নদের জন্য। টানা দুই ম্যাচ হেরে প্লে অফের রাস্তা কঠিন হয়ে গেল গুজরাটের পক্ষে।
এদিন টস জিতে বল করার সিদ্ধান্ত নেন আরসিবি অধিনায়ক রজত পাতিদার। ওপেন করতে নেমে ৫৮ বলে অনবদ্য সেঞ্চুরি হাঁকান সাই সুদর্শন। গতবারের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক এবারের আইপিএলে সেরকম ফর্মে ছিলেন না। তবে এদিন রানখরা কাটল তাঁর। কিন্তু গুজরাটের বাকি ব্যাটাররা এদিন ব্যর্থ। অধিনায়ক শুভমান গিল ২৪ বলে মাত্র ৩২ করলেন। জস বাটলারের সংগ্রহ মাত্র ১৫। একেবারে শেষবেলায় জেসন হোল্ডারের ক্যামিওতে ভর করে দু'শো পেরয় গুজরাট। 'বুড়ো হাড়ে' ভেলকি দেখিয়ে এদিনও কৃপণ বোলিং করলেন ভুবনেশ্বর কুমার। চার ওভারে ৩১ রান দিয়ে তুলেছেন বাটলারের উইকেট।
২০৬ রানের টার্গেট চিন্নাস্বামীর মতো মাঠে খুব একটা কঠিন নয়। তবে এবারের চিন্নাস্বামী অতীতের মতো ব্যাটারদের স্বর্গরাজ্য নয়। বল বুঝতে না পেরে তৃতীয় ওভারে আউট হয়ে যান জ্যাকব বেথেল। তারপর বিরাটের সঙ্গে জুটি বেঁধে রানের ফোয়ারা ছোটালেন দেবদত্ত পাড়িক্কল। ১১৭ রানের জুটিতে দেবদত্তের অবদান ২৭ বলে ৫৫ রান। তিনি আউট হতে গুজরাট বোলিং লাইন আপে সংহারলীলা চালিয়ে যান বিরাট কোহলি। হোল্ডারের ওভারে পরপর দুই বলে ছক্কা হাঁকানোর পরেও আগ্রাসী শট খেলতে গেলেন। নিশ্চিত সেঞ্চুরি মাঠে ফেলে রেখে আউট হলেন ৮১ রানে। কোহলি আউট হতেই পরপর দুই ওভারে দুই উইকেট হারায় আরসিবি। ম্যাচে ফেরার ক্ষীণ আশা উঁকি দেয় গুজরাট শিবিরে। তবে শেষ হাসি হাসল আরসিবিই।
