বুধবারের মধ্যে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ভারতে খেলতে আসা নিয়ে ইতিমধ্যেই বাংলাদেশকে ডেডলাইন দিয়ে দিয়েছে আইসিসি। সেই ডেডলাইনের কথা এতদিন অস্বীকার করছিল বাংলাদেশ। কিন্তু এবার বাংলাদেশের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল মেনে নিলেন, বাংলাদেশের উপর চাপ সৃষ্টি করছে আইসিসি। যদিও তাঁর বক্তব্য, আইসিসি অযৌক্তিক চাপ দিয়ে ভারতে খেলতে বাধ্য করতে চাইছে তাঁদের।
শনিবার বিকেলে ঢাকায় বিসিবি কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন আইসিসি’র দুই শীর্ষ কর্তা। বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থার দুই শীর্ষকর্তাকে বাংলাদেশ বোর্ড জানিয়ে দিয়েছে, নিরাপত্তা সংক্রান্ত যে কারণ তাঁরা দেখিয়েছে, তা নিয়ে বোর্ড চিন্তিত। সেক্ষেত্রে তারা চাইছে ভারতের বদলে শ্রীলঙ্কায় খেলতে। বাংলাদেশের এই বিকল্প প্রস্তাব নিয়ে আইসিসি এখনও সরকারিভাবে কোনও প্রতিক্রিয়া দেয়নি। টুর্নামেন্টের আর বেশি দিন বাকি নেই। ফলে দ্রুত ব্যাপারটা মেটাতে হবে আইসিসিকে। যা খবর, তাতে ২১ জানুয়ারি, আগামী বুধবারের মধ্যে পুরো চিত্র পরিষ্কার হয়ে যাবে। নাহলে অন্য দলকে বেছে নেবে আইসিসি। তাই বিসিবিকে স্পষ্ট বলে দেওয়া হয়েছে, ভারতে খেলতে আসার ব্যাপারে তাঁদের ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিতে হবে ২১ জানুয়ারির মধ্যে।
তবে বাংলাদেশ বোর্ডের তরফে ওই ডেডলাইনের কথা এতদিন অস্বীকার করা হয়েছে। তাঁরা এতদিন দাবি করছিল, আইসিসি কোনও ডেডলাইন দেয়নি। এবার বাংলাদেশ সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বললেন, ‘যদি আইসিসি ভারতীয় বোর্ডের কাছে মাথা নত করে আমাদের উপর চাপ সৃষ্টি করে, অযৌক্তিক শর্ত চাপিয়ে দেয়, আমরা সেই অযৌক্তিক শর্ত মানব না।’
পাকিস্তানের দোহাই দিয়ে আসিফ নজরুলের বক্তব্য, "পাকিস্তানও ভারতে খেলতে যেতে চায় না। সেজন্য বিকল্প ভেন্যুর ব্যবস্থা হয়েছে। আমরা অত্যন্ত যৌক্তিক কারণে ভেন্যু বদলানোর কথা বলেছি। অযৌক্তিক চাপ দিয়ে আমাদের খেলতে বাধ্য করা যাবে না।" আসিফ নজরুলের বক্তব্যে স্পষ্ট, বাংলাদেশ কোনওভাবেই ভারতে খেলতে আসবে না। সেটা যদি হয়, তাহলে সেটা 'আত্মঘাতী' সিদ্ধান্ত হবে। কারণ বাংলাদেশ না এলে বিকল্প দলের ব্যবস্থা করে রেখেছে আইসিসি। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের আর বিশ্বকাপ খেলা হবে না।
