হার্দিক পাণ্ডিয়া (Hardik Pandya) আইপিএলে কোন দলে খেলবেন? নাটক শেষ হওয়ার কোনও লক্ষণই নেই। এতদিন জল্পনা চলছিল, কেকেআর বা চেন্নাই হয়তো মুম্বই থেকে হার্দিককে কিনে নিতে পারে। কিন্তু তারকা অলরাউন্ডার কী চান? এখন তিনি চাইছেন পুরনো দলে ফিরতে। কিন্তু নিজেই শর্ত বেঁধে দিয়েছেন। সেটা হল ভারত অধিনায়ককে সরাতে হবে। তারপরই কড়া সিদ্ধান্ত নিল হার্দিকের পুরনো ফ্র্যাঞ্চাইজি।
'বরোদা বম্বার' যে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ছাড়ছেনই, তা শতভাগ নিশ্চিত হয়ে বলা যায় না। তবে এটাও সত্যি যে, ভারতীয় অলরাউন্ডারকে ঘিরে নিদেনপক্ষে পাঁচ-পাঁচটি ফ্র্যাঞ্চাইজির দড়ি টানাটানি চলছে। আর এত কিছুর মধ্যে হার্দিক নিজেই ফিরতে চাইছেন পুরনো দল গুজরাট টাইটান্সে। ২০২২-এ এই দলের অধিনায়ক হিসেবে আইপিএল জিতেছিলেন। তারপর বিরাট টাকার বিনিময়ে চলে আসেন মুম্বইয়ে। এখন আবার গুজরাটে ফিরতে চাইছেন।
কিন্তু তার জন্য একটি শর্ত রেখেছেন। গুজরাটে ফিরলে হার্দিককেই অধিনায়ক করতে হবে। এই মুহূর্তে গুজরাটের অধিনায়ক শুভমান গিল। যিনি কি না ভারতের ওয়ানডে ও টেস্ট দলের অধিনায়ক। কিন্তু গিলকে সরিয়ে হার্দিককে অধিনায়ক করতে তারা রাজি নয়। অতএব পত্রপাঠ হার্দিকের প্রত্যাবর্তনের রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে গুজরাট। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, 'হার্দিককে ফেরাতে ফ্র্যাঞ্চাইজির সমস্যা ছিল না। এমনকী এই নিয়ে তারা গিলের সঙ্গে কথাও বলেছিল। গিলও রাজি ছিলেন। কিন্তু যখনই নেতৃত্বের শর্ত সামনে আসে, সবাই না করে দেয়।"
তবে হার্দিকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তিনি কোনও ফ্র্যাঞ্চাইজির সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করেননি। আর এইসব ক্ষেত্রে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সই ব্যাপারটি দেখভাল করবে। উল্লেখ্য, তাঁকে দলে নেওয়ার জন্য পাঁচটি ফ্র্যাঞ্চাইজি খুবই আগ্রহী, এমনটাই সূত্রের খবর। কলকাতা, চেন্নাই তো ছিলই। তারপর দৌড়ে ঢুকে পড়েছে দিল্লি ক্যাপিটালস, রাজস্থান রয়্যালস ও লখনউ সুপার জায়ান্টস। তবে জানা গিয়েছে, মুম্বই ট্রেড ডিলে খুব একটা আগ্রহী নয়।
