১৫ আগস্ট থেকে শুরু শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে প্রথম টেস্ট। তার আগে শ্রীলঙ্কার দ্বিতীয় সারির দলের বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচে সহজেই জিতল টিম ইন্ডিয়া। জয় নিয়ে হয়তো কখনই তেমন সংশয় ছিল না। তবে কিছু প্রশ্নের উত্তর পাওয়া গেল। যেমন, চোট সারিয়ে শুভমান গিল ব্যাট করতে এলেন। বা দ্বীপরাষ্ট্রে তিন নম্বরে ব্যাট করতে দেখা যাবে দেবদত্ত পাড়িক্কলকে। মজার বিষয়, ৬ উইকেটে জয়ের পরও ভারত ব্যাট চালিয়ে যায়। সম্ভবত অনুশীলন ম্যাচ বলেই।
তিনদিনের প্রস্তুতি ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট একাদশ। দুই ওপেনার নিশান ফার্নান্দো (৬৬) ও রাভিন্দু রাসান্থা (৭১) লড়াকু ইনিংস খেলেন। শেষ পর্যন্ত তারা ৮ উইকেটে ৩৬৩ রান তোলে। মানব সুথার, রবীন্দ্র জাদেজা, কুলদীপ যাদবরা ২টি করে উইকেট পান। জবাবে ব্যাট করতে নেমেও দেবদত্ত পাড়িক্কল, রবীন্দ্র জাদেজারা ছাড়া সেভাবে দাগ কাটতে পারেননি কেউ। চোটের কারণে না খেলা শুভমান গিলের জায়গায় নেতৃত্বের ব্যাটন ছিল কেএল রাহুলের হাতে। তিনিও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি।
তবে টলানো যায়নি দেবদত্তকে। মাঝে ‘অবসৃত’ হয়ে উঠে গেলেও পরে আবারও নামলেন। এবং বুক চিতিয়ে লড়াইও করলেন। তাঁর নামের পাশে ১৬৪ বলে ১৪২ রান। ডাহা ফেল ঋষভ পন্থ (২)। ভারত ৩৫৭ রান তুলে ডিক্লেয়ার ঘোষণা করে। শেষদিকে গুরনুর ব্রার ১৮ বলে ৩৬ রানের ক্যামিও খেলেন। তৃতীয় দিনে শ্রীলঙ্কা ২০০ রান তুলে ডিক্লেয়ার করে। ভারতের জন্য স্বস্তির যে অধিনায়ক শুভমান গিল চোট সারিয়ে ফিরে এলেন। ৫৪ বলে ৪৪ রানের ইনিংসও খেলেন তিনি।
রান পেয়েছেন যশস্বী জয়সওয়াল (৬১)। শেষদিকে ঝড় তুলে দেন মহম্মদ সিরাজ। ১৫ বলে ৩২ রান করেন তিনি। চারটে ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচ শেষ করে দেন। তখনও ওই ওভারের তিন বল বাকি ছিল। কী আর করা যাবে? সিরাজ সেই তিন বলও খেলেন। একটি চারও হাঁকান। ৬ উইকেটে ম্যাচ জিতে শ্রীলঙ্কা টেস্টের প্রস্তুতি সেরে রাখল গম্ভীর বাহিনী।
