কেকেআর: ১৮১/৪ (অঙ্গকৃশ ৪৫, রাহানে ৪১)
এলএসজি: ১৮২/৭ (মুকুল ৫৪*, আয়ুশ ৫৪, অনুকূল ২/৩২)
৩ উইকেটে জয়ী লখনউ
আরও একটা ম্যাচ। আরও একটা হার। আইপিএলে চারটে ম্যাচ খেলে ফেলল কেকেআর। কিন্তু এখনও জয়ের স্বাদ জুটল না অজিঙ্ক রাহানেদের। বৃহস্পতিবারের ইডেনে লড়াই করল নাইটরা। প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে বল করলেন ক্যামেরন গ্রিন। কিন্তু দিনের শেষে নিট ফল শূন্য। আইপিএলে হারের 'হ্যাটট্রিকে'র পর এখন কেকেআরের ঝুলিতে স্রেফ এক পয়েন্ট।
এদিন টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামে কেকেআর। কিন্তু দ্বিতীয় ওভারেই ছন্দপতন। বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে ফিন অ্যালেনের ঝোড়ো শতরান দেখে কেকেআর ভক্তরা আনন্দে আত্মহারা হয়েছিলেন। কিন্তু নাইটদের জার্সিতে একেবারে মিইয়ে গিয়েছেন কিউয়ি ওপেনার। এদিন ৮ বল খেলে মাত্র ৯ রান করলেন। তারপর নাইট ইনিংসকে এগিয়ে নিয়ে গেলেন অজিঙ্ক রাহানে। অধিনায়কের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ইনিংস গড়লেন তরুণ তুর্কি অঙ্গকৃশ রঘুবংশী। ৮৪ রানের পার্টনারশিপে থিতু হল নাইট ইনিংস।
চৈত্রের শেষদিকে কলকাতার হাসি কেড়ে নিলেন এক মুকুল চৌধুরী। হারের মুখে অবিশ্বাস্য ইনিংস খেলে পালটে দিলেন ম্যাচের ভাগ্য। ২৭ বলে ৫৪ রান করে একা হাতে জেতালেন লখনউকে।
তারপর রানের গতিতে কিছুটা লাগাম পরালেন প্রিন্স যাদবরা। তবে শেষ লগ্নে নাইটদের উদ্ধারকর্তা হয়ে উঠলেন রভম্যান পাওয়েল। ২৪ বলে ৩৯ এল তাঁর ব্যাট থেকে। ২৪ বলে ক্যামেরন গ্রিনের ৩২ রানের ইনিংসটা হয়তো তাঁর প্রাইস ট্যাগের পক্ষে খুবই ফিকে, কিন্তু ম্যাচের নিরিখে বেশ কার্যকর হয়ে থাকল। ২০ ওভার শেষে ১৮১ রানে থেমে গেল নাইট ইনিংস। কেকেআর ভক্তদের অনেকেই তখন ভাবছেন, মরশুমের তৃতীয় হার স্রেফ সময়ের অপেক্ষা। এই পুঁজি বৈভব-কার্তিকদের পক্ষে যথেষ্ট নয়।
সেই আশঙ্কাই সত্যি করে দিয়েছিলেন এডেন মার্করামরা। প্রথম চার ওভারে ওপেনিং জুটিতেই উঠে গেল ৪০ রান। মার্করাম আউট হতে ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার আয়ুশ বাদোনির হাত ধরে তরতরিয়ে এগোচ্ছিল সঞ্জীব গোয়েঙ্কার দল। ৩৪ বলে ৫৪ করে বাদোনি আউট হতে আবার জয়ের গন্ধ পেতে শুরু করলেন সুনীল নারিনরা। সাত উইকেট ফেলে দিয়ে কেকেআর শিবিরে তখন খুশির হাওয়া। কিন্তু চৈত্রের শেষদিকে কলকাতার হাসি কেড়ে নিলেন এক মুকুল চৌধুরী। হারের মুখে অবিশ্বাস্য ইনিংস খেলে পালটে দিলেন ম্যাচের ভাগ্য। ২৭ বলে ৫৪ রান করে একা হাতে জেতালেন লখনউকে। কেকেআরের জন্য পড়ে রইল স্রেফ হতাশা।
