একটা সময় প্লেঅফে (IPL 2026 Playoffs) যাওয়া নিয়ে প্রবল অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে হারিয়ে শেষপর্যন্ত প্লেঅফের টিকিট নিশ্চিত করে রাজস্থান রয়্যালস। এবারের আইপিএলের ধারাবাহিকতার অভাব বেশ ভুগিয়েছে রাজস্থানকে। তবে প্লেঅফে আর সেই একই জিনিস করতে চায় না তারা। বরং বুধবার হায়দরাবাদ সানরাইজার্সের বিরুদ্ধে নামার আগে বেশ আত্মবিশ্বাসী তারা।
তবে রাজস্থানের সবচেয়ে বড় চিন্তা হল, তাদের ব্যাটিং। বৈভব সূর্যবংশী, যশস্বী জয়সওয়াল শুরুটা ভালো করে দিতে পারলে ঠিক আছে। না হলে তাদের মিডল অর্ডার সমস্যায় পড়তে পারে। উলটো দিকে হায়দরাবাদের শুরুটা ভালো করেও ক্রমশ ছন্দ ফিরে পেয়েছে তারা। বিশেষ করে চোট সারিয়ে অধিনায়ক প্যাট কামিন্স ফেরার পর দলের ব্যালান্স আরও ভালো হয়েছে। অধিনায়ক হিসাবে কামিন্সের রেকর্ডও বেশ ভালো। গতবার তিনবারের মধ্যে তাঁর ক্যাপ্টেন্সিতে দু’বার টিম প্লেঅফে উঠল।
হায়দরাবাদকে আরও বেশি ভরসা দিচ্ছে অভিষেক শর্মা আর ট্রাভিস হেডের ওপেনিং জুটি। যাকে ট্রাভিসেক বলা হচ্ছে। সঙ্গে ঈশান কিষান রয়েছেন। হেনরিক ক্লাসেন আছেন। রাজস্থান বোলিংয়ের কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে হায়দরাবাদ ব্যাটিং পাওয়ার হাউসকে আটকানো। এই ক্ষেত্রে রাজস্থান বোলিংয়ের সবচেয়ে অস্ত্র হতে পারেন জফ্রা আর্চার।
একইভাবে বৈভব নিয়েও পরিকল্পনা শুরু করে দিয়েছে হায়দরাবাদ। কামিন্সকে খুব ভালো করেই জানেন, বৈভবকে শুরুতে ফেরাতে না পারলে সমস্যা হতে পারে। মাত্র পনেরো বছরের একজন পুরো আইপিএল জুড়ে যেভাবে ব্যাটিং করেছেন, তা গোটা ক্রিকেট বিশ্বকে মুগ্ধ করেছে। দাসুন শানাকা যেমন। রাজস্থানে খুব কাছ থেকে বৈভবকে দেখেছেন। বলছিলেন, “বৈভবের বয়স খুব কম। কিন্তু এই বয়সেও যেরকম প্রফেশনাল, সেটা দেখার মতো। রান পাওয়া কিংবা ব্যর্থতা নিয়ে খুব একটা বেশি ভাবে না। বরং প্রত্যেক সময় নিজেকে ভীষণরকম শান্ত রাখে। এত কম বয়সে এরকম মানসিকতা খুব একটা দেখিনি।”
