ফিট হয়েও আইপিএল খেলার অনুমতি পাচ্ছিলেন না বলে নিজের দেশের বোর্ডকে আদালতে নিয়ে গিয়েছিলেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর তারকা ক্রিকেটার। বোর্ড কর্তাদের বিরুদ্ধে মামলা ঠুকে দিয়েছিলেন নুয়ান থুসারা। তবে সেই মামলা শেষ পর্যন্ত প্রত্যাহার করে নিলেন শ্রীলঙ্কার এই জোরে বোলার।
ঠিক কী কারণে নিজের দেশের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন থুসারা? এবারের আইপিএলে ১.৬০ কোটি টাকায় শ্রীলঙ্কার তারকা পেসারকে দলে নিয়েছিল আরসিবি। আইপিএলের আগে তাঁর চোটের সমস্যাও ছিল না। তা সত্ত্বেও দ্বীপরাষ্ট্রের বোর্ডের তরফ থেকে আইপিএল খেলার ছাড়পত্র দেয়নি শ্রীলঙ্কা বোর্ড। বিদেশি লিগে খেলতে আগ্রহী ক্রিকেটারদের জন্য ফিটনেসের বিশেষ মাপকাঠি সাজিয়েছিল দ্বীপরাষ্ট্রের বোর্ড। সেই মান পর্যন্ত পৌঁছতে না পারলে ছাড়পত্র পাবেন না শ্রীলঙ্কার কোনও ক্রিকেটার। সেখানেই আটকে গিয়েছিলেন থুসারা। যার জেরে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি।
শেষ পর্যন্ত শ্রীলঙ্কার পেসারের আইপিএল খেলাকে কেন্দ্র করে আইনি জটিলতার অবসান ঘটেছে বৃহস্পতিবার। শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার করে নিলেন তিনি। তবে জেলা আদালতে তাঁর আইনজীবী জানান, আইপিএলের অধিকাংশ ম্যাচ ইতিমধ্যেই শেষ হয়ে যাওয়ায় এই মামলার আর কোনও প্রাসঙ্গিকতা নেই। সেই কারণে মামলাটি প্রত্যাহার করতে চান থুসারা। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করে নেয়। পাশাপাশি শ্রীলঙ্কা বোর্ডের কাছে ক্ষমাও চেয়েছেন তিনি।
উল্লেখ্য, এবারের আইপিএলে গতবারের চ্যাম্পিয়ন আরসিবি'র হয়ে খেলার কথা ছিল থুসারার। এর আগে ২০২৪ ও ২০২৫ মরশুমেও তিনি আইপিএলে অংশ নিয়েছিলেন। যদিও গতবার তিনি খেলেছিলেন একটি মাত্র ম্যাচ। নিয়েছিলেন খেলে ২৬ রানে ১ উইকেট। এই থুসারাই এপ্রিলের শুরুতে জানিয়েছিলেন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাঁকে আটকে দেওয়া হচ্ছে। সেই অভিযোগে শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট শাম্মি সিলভা এবং সচিব বান্দুলা দিশানায়েকের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন। তবে এতদিনে সেই অভিমান ভুললেন ২০২২ সালে অভিষেকের পর থেকে শ্রীলঙ্কার হয়ে প্রায় ৩০ টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা শ্রীলঙ্কান পেসার।
