কেমন কাজ করছে পুলিশ, দমকল প্রস্তুত কতটা? তা খতিয়ে দেখতে বুধবার সকালে একের পর থানা, দমকল সদর দপ্তরে সারপ্রাইজ ভিজিটে মুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বন্দর এলাকার ওয়াটগঞ্জ ও একবালপুর থানায় যান মুখ্যমন্ত্রী। সেখান থেকে রাজ্য পুলিশের সদর দপ্তর লালবাজারে যান। কথা বলেন নগরপাল অজয় নন্দের সঙ্গে। সেখান থেকে যান দমকলের সদর দপ্তর। মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি ,স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ও সারপ্রাইজ ভিজিটে বেরিয়েছেন। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে গিয়েছেন তিনি।
লালবাজার থেকে বেরিয়ে তিনি যান দমকলের সদর দপ্তরে। সেখানে আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন। কোনও দুর্ঘটনা ঘটলে কতটা তাড়াতাড়ি দমকল রেসপন্স করতে পারবে। তা নিয়ে আলোচনা হয়। জানা গিয়েছে, পুরোটায় আচমকা। আগে থেকে কোনও পরিকল্পনা ছিল না।
বুধবার সকালে পূর্ত দপ্তরে যান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু। সেখানে বৈঠকের পর আচমকা থানাগুলি পরিদর্শনে বেরিয়ে পড়েন পুলিশমন্ত্রী। ওয়াটগঞ্জ ও একবালপুর থানায় যান তিনি। বন্দর এলাকার থানাগুলি পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন ডিসি পোর্টও। রাজ্যের প্রতিটি থানায় মহিলাদের সাহায্যের জন্য হেল্পডেস্ক তৈরি করার কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। ওয়াটগঞ্জ ও একবালপুর থানায় সেই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে কি না, সেই বিষয়ে কথা বলেন। খতিয়ে দেখেন থানার খাতা। পরপর দু'টি থানা পরিদর্শনের পর তিনি যান রাজ্য পুলিশের সদর দপ্তর লালবাজারে। কথা বলেন কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দের সঙ্গে।
দমকলের সদর দপ্তরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ছবি: কৌশিক দত্ত।
লালবাজার থেকে বেরিয়ে তিনি যান দমকলের সদর দপ্তরে। সেখানে আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন। কোনও দুর্ঘটনা ঘটলে কতটা তাড়াতাড়ি দমকল 'রেসপন্স' করতে পারবে। তা নিয়ে আলোচনা হয়। জানা গিয়েছে, পুরোটায় আচমকা। আগে থেকে কোনও পরিকল্পনা ছিল না। মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি হঠাৎ পরিদর্শনে গিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রীও। তিনি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গিয়েছেন। সেখানে তৃণমূল আমলে হাসপাতালগুলিতে দুর্নীতি নিয়ে সরব হয়েছেন।
