২০১১ বিশ্বকাপে সুযোগ হয়নি রোহিত শর্মার। অথচ অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে 'ক্রিকেট ঈশ্বর' শচীন তেণ্ডুলকরকে যোগ্য সঙ্গত দিয়ে ওয়ানডে ক্রিকেটে নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করা হয়েছিল তাঁর। অথচ দলে জায়গা হয়নি তাঁর। হলে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দলের সদস্য হতে পারতেন। এই নিয়ে পরবর্তী সময়ে আপসোস করতেও দেখা গিয়েছে 'শর্মাজি কা বেটা'-কে। এবার প্রকাশ্যে এই বিষয়ে মুখ খুললেন তৎকালীন বিসিসিআই সিলেকশন চেয়ারম্যান কৃষ্ণমাচারী শ্রীকান্ত। জানালেন, ২০২০ সালেই তিনি রোহিতের কাছে এই নিয়ে দুঃখপ্রকাশ করেছিলেন।
শ্রীকান্তকে বলতে শোনা গিয়েছেন, ''ওর জন্য আজও খারাপ লাগে। ২০২০ সালে আমি রোহিতকে বলেছিলাম, সরি বস। কোনও অন্য উদ্দেশ্যে নয়, স্রেফ হাফ অলরাউন্ডারদের দলে নিতেই তোমাকে স্কোয়াডে রাখা হয়নি।'' সেই সঙ্গেই তিনি বলেন, ''যদি ১৯৮৩ সালের বিশ্বকাপ দেখেন, রজার বিনি ছিল একজন অলরাউন্ডার। প্রধান অলরাউন্ডার অবশ্য কপিল দেব। একমাত্র আমি, কিরমানি ও সুনীল গাভাসকার ছাড়া সকলেই সেই বিশ্বকাপে বল করেছিল। রোহিত প্রতিটা সাক্ষাৎকারেই বলে, ২০১১ বিশ্বকাপে জায়গা পায়নি বলে ওর দুঃখ হয়। এটা শোনার পর আমি ওকে বলেছিলাম ও যেন মন খারাপ না করে।''
এই বিষয়ে মুখ খুললেন তৎকালীন বিসিসিআই সিলেকশন চেয়ারম্যান কৃষ্ণমাচারী শ্রীকান্ত। জানালেন, ২০২০ সালেই তিনি রোহিতের কাছে এই নিয়ে দুঃখপ্রকাশ করেছিলেন।
শ্রীকান্ত জানাচ্ছেন, ২৮ বছর পরে ফের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হতে মরিয়া ছিল ভারত। আর তাই তিরাশির 'ব্লু প্রিন্ট' অনুসরণ করাই মনস্থ করা হয়েছিল। শ্রীকান্ত উদাহরণ দিয়ে জানাচ্ছেন, সেবার প্রতিযোগিতার সেরা খেলোয়াড় হওয়া যুবরাজ সিং ছিলেন একজন অলরাউন্ডার। পাশাপাশি বীরেন্দ্র শেহওয়াগ, শচীন তেণ্ডুলকর, সুরেশ রায়না, ইউসুফ পাঠান সকলেই বোলিং করেছিলেন।
কিন্তু সত্যি যদি রোহিতকে দলে নেওয়া হত, তাহলে কার জায়গায় তাঁর ঠাঁই হত স্কোয়াডে? এপ্রসঙ্গে শ্রীকান্ত জানাচ্ছেন, ''এটা একটা বিতর্কযোগ্য প্রশ্ন বটে। সুতরাং এটা নিয়ে কথা না বলাই ভালো। তবে ওকে না নেওয়ায় আমি দুঃখিত। আমরা ইচ্ছাকৃত ভাবে এটা করিনি।''
