বিরাট কোহলির রেস্তরাঁ ব্যবসার শখ অনেকদিনের। মুম্বই-কলকাতা থেকে বেঙ্গালুরুও তাঁর রেস্তরাঁ রয়েছে। দক্ষিণী শহরে বিরাটের রেস্তরাঁর নাম ‘ওয়ান৮ কমিউন’। যদিও এবার সেখান থেকে পাততাড়ি গোটাতে বাধ্য হল রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষ। ঋণের দায়ে শেষ পর্যন্ত বন্ধই হয়ে গেল ওয়ান৮ কমিউন।
জানা গিয়েছে, বকেয়া ভাড়া পরিশোধ না করায় শহরের সিভিল কোর্টের নির্দেশে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এই রেস্তরাঁটি। প্রায় ছ'মাসের ভাড়া, রক্ষণাবেক্ষণ খরচ এবং ট্যাক্স-সহ ২ কোটিরও বেশি বকেয়া রয়েছে। ফলে বাড়ির মালিক আদালতে যেতে বাধ্য হয়েছিলেন। এরপর আদালত বিরাটের রেস্তরাঁ (Virat Kohli Restaurant) বন্ধ করার আদেশ দেয়।
বেঙ্গালুরুর চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামের কাছে অবস্থিত এই আউটলেট। সেখান থেকে নিজের ব্র্যান্ডের নাম সরিয়ে নিয়েছেন ভারতীয় ক্রিকেটের আইকন। সূত্রের খবর, একাধিকবার নিয়মভঙ্গ ও অগ্নি নির্বাপণ সংক্রান্ত নোটিস পাওয়ার পরই ধীরে ধীরে দূরত্ব তৈরি করেন কোহলি। রেস্তরাঁর সঙ্গে সম্পর্কও ছিন্ন করেছিলেন। রেস্তরাঁটি পরিচালনা করত ট্রিও হিলস হসপিটালিটি। অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই ভাড়া ও অন্যান্য আর্থিক দায় মেটাতে ব্যর্থ হচ্ছিল তারা। এরপরই বাড়ির মালিক আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন।
এছাড়াও বৃহৎ বেঙ্গালুরু মহানগর পালিকের তরফে একাধিকবার নিয়মভঙ্গের নোটিস দেওয়া হয়েছিল। অভিযোগ ছিল, অগ্নি নির্বাপণ দফতরের প্রয়োজনীয় 'নো অবজেকশন সার্টিফিকেট' ছাড়াই চলছিল ব্যবসা। পাশাপাশি, নির্ধারিত সময়ের বেশি রাত পর্যন্ত খোলা রাখার অভিযোগেও মামলা দায়ের হয়।
গত বছর জুন মাসে সিগারেট ও অন্যান্য তামাকজাত দ্রব্য আইন লঙ্ঘনের অভিযোগেও এই রেস্তরাঁর বিরুদ্ধে মামলা হয়। ধূমপানের জন্য নির্দিষ্ট জায়গা না থাকার অভিযোগ উঠেছিল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে চালু হওয়া এই শাখাটি প্রথম থেকেই নানা বিতর্কে জড়ায়। কোহলির ব্র্যান্ড সরে যাওয়া এবং ক্রেতা কমে যাওয়ার ফলে ব্যবসায়িক ক্ষতিও বাড়ছিল। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, সমস্ত বকেয়া না মেটানো পর্যন্ত আপাতত বন্ধই থাকবে 'ওয়ান৮ কমিউন'।
