৯.২ কোটি টাকায় তাঁকে দলে নিয়েছিল কেকেআর। যদিও বিসিসিআইয়ের নির্দেশে আইপিএল খেলা হয়নি তাঁর। এবার পাকিস্তান সুপার লিগেও খেলা হচ্ছে না মুস্তাফিজুর রহমানের। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড তাঁকে দেওয়া ‘নো অবজেকশন সার্টিফিকেট’ (এনওসি) প্রত্যাহার করে নিয়েছে। মুস্তাফিজুর একা নন। তালিকায় রয়েছেন নাহিদ রানাও।
পিএসএলে যথাক্রমে লাহোর কালান্দার্স ও পেশোয়ার জালমির হয়ে খেলছিলেন মুস্তাফিজুর ও নাহিদ। তবে ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওয়ানডে সিরিজ খেলতে বাংলাদেশ ফেরার পরই বদলে যায় পরিস্থিতি। প্রথম দুই ম্যাচে চোটের কারণে মাঠে নামতে পারেননি বাঁহাতি এই পেসার। যদিও তৃতীয় ম্যাচে ফিরে ৪৩ রানে ৫ উইকেট নিয়ে দলকে জেতান। তবে সিরিজের চূড়ান্ত ম্যাচের পর বিসিবি জানিয়ে দেয়, পাকিস্তান সুপার লিগে আর ফিরছেন না তাঁরা। উল্লেখ্য, পিএসএলে খেলার জন্য মুস্তাফিজুরকে দুই দফায় ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছিল। ২৬ মার্চ থেকে ১২ এপ্রিল এবং ২৪ এপ্রিল থেকে ৩ মে পর্যন্ত।
এক বিবৃতিতে বিসিবি জানায়, 'মুস্তাফিজুরের চোটের অবস্থা আরও ভালোভাবে খতিয়ে দেখতে অবিলম্বে স্ক্যান করানো হবে। এরপর বিসিবির মেডিক্যাল টিমের তত্ত্বাবধানে তাঁর রিহ্যাব শুরু হবে। এই পরিস্থিতিতে এনওসি বাতিল করা হয়েছে। ফলে পিএসএলের বাকি অংশে খেলা হচ্ছে না তাঁর।' আইপিএল থেকে বাদ পড়ার পর লাহোর কালান্দার্সের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলেন মুস্তাফিজুর। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর পাকিস্তানের লিগে ফেরা হচ্ছে না তাঁর।
অন্যদিকে, নাহিদ রানাকেও পিএসএল খেলার ছাড়পত্র দেওয়া হয়নি। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আসন্ন টেস্ট সিরিজের প্রস্তুতির জন্য বাংলাদেশ বোর্ডের এই সিদ্ধান্ত। একই কারণে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম দুই টি-টোয়েন্টি ম্যাচে রাখা হয়নি তাঁকে। তাসকিন আহমেদকেও একই কারণে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছিল। পিএসএলে নজর কেড়েছিলেন রানা। চার ম্যাচে ৭ উইকেট নিয়েছিলেন। ইকোনমি রেট ছিল ৫.৪২। এর মধ্যে একটি ম্যাচে তুলে নিয়েছিলেন ৪ উইকেট। অন্যদিকে, মুস্তাফিজুর পাঁচ ম্যাচে ৬ উইকেট নেন। যদিও ইকোনমি ছিল কিছুটা বেশি। জুনে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সীমিত ওভারের সিরিজে দেখা যেতে পারে মুস্তাফিজুরকে।
