দুই 'বন্ধু'র ম্যাচে চরম উত্তেজনা। একটা রানআউট ঘিরে উত্তাল পাকিস্তান ও বাংলাদেশের ম্যাচ। পাকিস্তানের সলমন আলি আঘাকে আউট করেন বাংলাদেশের অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ। কিন্তু সেই আউট কি 'স্পোর্টসম্যান স্পিরিট'-এর সঙ্গে যায়? উঠছে প্রশ্ন। আউট হয়ে প্রবল ক্ষুব্ধ সলমন। মাঠেই হেলমেট ছুড়ে ফেলে দিলেন তিনি।
সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ-পাকিস্তানের ক্রিকেট সম্পর্ক বেশ 'বন্ধুত্বপূর্ণ'। এক দেশ অন্যের 'বিপদে' পাশে দাঁড়াচ্ছেন। ঘটনার সূত্রপাত সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে পাক ব্যাটিংয়ের ৩৯ তম ওভারে। বল করছিলেন মিরাজ, ব্যাটে মহম্মদ রিজওয়ান। ওভারের চতুর্থ বলটি সোজা খেলেন রিজওয়ান। নন-স্ট্রাইকিং এন্ডে থাকা সলমন বলটি পাশ দিয়ে যেতে দিচ্ছিলেন। সেই সময় মিরাজ পা দিয়ে বলটি ঠেকান। সলমন আবার বল থামার আগেই তা তুলে নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। সেই সুযোগ না দিয়ে মিরাজ বল তুলে উইকেটে ছুড়ে দেন। তখন সলমন ক্রিজের বাইরে ছিলেন।
বল উইকেট ভেঙে দিতেই আম্পায়ারের কাছে আউটের আবেদন করেন মিরাজ। ওই সময় ক্রিজের বাইরে ছিলেন সলমন। নিয়মমাফিক তিনি আউট। তবে প্রশ্ন উঠছে 'স্পোর্টসম্যানশিপ' নিয়ে। সলমনকে কি ইচ্ছাকৃত ক্রিজের বাইরে আটকে দিয়েছিলেন মিরাজ? নাকি সলমনের উচিত ছিল বল তোলার বদলে ক্রিজে ফেরার চেষ্টা করা? আউট নিয়ে মাঠের মধ্যে ঝামেলা শুরু হয়ে যায়। সলমনের সঙ্গে কথা কাটাকাটিতে জড়ান লিটন দাস। রেগে হেলমেট, গ্লাভস ছুড়ে মারেন সলমন।
সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এই ধরনের বিতর্কিত আউটের ঘটনার উদাহরণ রয়েছে। যেমন, ২০২৩-র ওয়ানডে বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউজকে 'টাইমড আউট' করান বাংলাদেশের তৎকালীন অধিনায়ক শাকিব-আল-হাসান। অন্যদিকে ১৯৯৯ সালে শচীন তেণ্ডুলকরকে ক্রিজে ঢোকার মুখে বাধা দিয়ে আউট করেন শোয়েব আখতার। বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচের বিতর্কের পর ফিরে আসছে দুই দেশেরই বিতর্কিত আউটের কাণ্ড।
