বর্তমান টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ব্যাটারদের রমরমা দেখার পর বোলারদের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনেকেই আশঙ্কা প্রকাশ করছেন। উদ্বিগ্ন বলাবলি চলছে যে, টি-টোয়েন্টিতে আড়াইশো রানও আজ আর নিরাপদ নয়। বোলারার তাহলে কী করবেন? ভারতের কিংবদন্তি ক্রিকেটার রাহুল শরদ দ্রাবিড়ও বোলারদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তায়। তাঁর মনে হচ্ছে, ব্যাটারদের দাপটকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে, বোলারদের বিস্তর খাটাখাটনি করতে হবে।
২০২৪ সালে ভারতের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বজয়ের সময় কোচ ছিলেন দ্রাবিড়। মঙ্গলবার এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, "গত দু'তিন বছরে ব্যাটিংয়ের যে মান উন্নতি হয়েছে, তার সঙ্গে পাল্লা দিতে গেলে বোলারদের পরিশ্রম করতে হবে। আমার মতে, মাঠের বিভিন্ন প্রান্তে ব্যাটারদের ছয় মারার ক্ষমতা প্রভূত উন্নতি করেছে। বোলারদের কাজ হল নিজেদের স্কিলে শান দিয়ে যাওয়া প্রতিনিয়ত। নিজেদের মেজেঘষে আরও উন্নত করার চেষ্টা করা। আমি নিশ্চিত, কয়েকজন বোলার ঠিকই শেষ পর্যন্ত পারবে নিজেদের কাজটা দক্ষভাবে করতে। ওরা পারবে, ব্যাটারদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে।"
আইপিএলে খেলা ছাড়াও দু'টো দলের হয়ে কোচিং করেছেন দ্রাবিড়। রাজস্থান রয়্যালস এবং দিল্লি ক্যাপিটালস। যিনি মনে করেন, বোলারদের চেয়ে আধুনিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের সঙ্গে অনেক ভালো ভাবে মানিয়ে নিয়েছেন ব্যাটাররা। বলছিলেন, "ব্যালান্সের কথা যদি বলেন, তা হলে বলব এখনকার দিনের টি-টোয়েন্টির সঙ্গে বোলারদের চেয়ে ব্যাটাররা অনেক এগিয়ে গিয়েছে। তুলনায় অনেক ভালো মানিয়ে নিয়েছে। তবে সেটাও বদলে যাবে। আগামী দু'তিন বছরের মধ্যে বোলাররা ধরে ফেলবে ব্যাটারদের।"
তবে টি-টোয়েন্টিতে ব্যাটারদের একচ্ছত্র দাপট চললেও, টেস্ট ক্রিকেটে তা নয়। সেখানে বোলাররা শাসন করেন। যে কারণে অধুনা টেস্ট ক্রিকেটে ড্রয়ের সংখ্যা কমে এসেছে। দ্রাবিড় বলছেন, "এখনকার দিনে প্রায় প্রত্যেক টেস্টেই রেজাল্ট হয়। তাই টেস্ট শাসন করছে বোলাররাই। দেখার, টি-টোয়েন্টিতে তারা একই জিনিস আগামী কয়েক বছরে করতে পারে কি না?"
