সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নিলামে দল পাননি। আইপিএলে খেলার কোনও সম্ভাবনাই ছিল না। কিন্তু পরিবর্ত হিসাবে নেমেই আইপিএল মাতিয়ে দিয়েছেন। কেবল ভালো বোলিং নয়, সর্বোচ্চ উইকেটশিকারীর পার্পল ক্যাপও উঠেছে তাঁর মাথায়। সবমিলিয়ে, শার্দূল ঠাকুর এখন সপ্তম স্বর্গে। নতুনভাবে আইপিএল খেলতে নেমে চোখ ধাঁধানো পারফরম্যান্সের জন্য তিনি অবশ্য কৃতিত্ব দিচ্ছেন লখনউ মেন্টর জাহির খানকে।

আইপিএল থেকে মহসিন খান ছিটকে যাওয়ার পরেই শার্দূলকে দলে নেয় লখনউ। তবে নিলামে দল না পাওয়া অলরাউন্ডারের সঙ্গে আগে থেকেই যোগাযোগ রেখেছিল এলএসজি ম্যানেজমেন্ট। নেট বোলার হিসাবে তাঁকে ডাকেন জাহির। অনুশীলনের সময়ও শার্দূলের দিকে আলাদা করে নজর রেখেছিলেন লখনউ মেন্টর। মহসিন ছিটকে যেতেই পরিবর্ত হিসাবে তাঁকে সই করায় দল। বাকিটা ইতিহাস। দুই ম্যাচে ৬ উইকেট তুলে নিয়েছেন শার্দূল। তাঁর দুরন্ত বোলিংয়েই সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিস্ফোরক ব্যাটিং লাইন আপকে দুশো'র নিচে আটকে দেয় লখনউ।
দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে দুই ওভার বল করে দুই উইকেট পেয়েছিলেন। আর হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে চার ওভারে ৩৪ রান দিয়ে চার উইকেট তুলেছেন শার্দূল। তার মধ্যে রয়েছে আগের ম্যাচে সেঞ্চুরি হাঁকানো ঈশান কিষান এবং অভিষেক শর্মার উইকেট। দুর্বল বোলিং নিয়েও হায়দরাবাদকে ১৯০তে আটকে দেয় লখনউ। ২৩ বল বাকি থাকতেই ৫ উইকেটে ম্যাচ জিতে নেয় ঋষভ পন্থের দল। ম্যাচের সেরা বেছে নেওয়া হয় শার্দূলকে।
নতুন জীবন পেয়ে জাহিরকে ধন্যবাদ দিচ্ছেন 'লর্ড' শার্দূল। ম্যাচ জিতে বলছেন, "নিলামটা একটা খারাপ দিন ছিল, কেউ আমাকে কেনেনি। কিন্তু ক্রিকেটে এটা হতেই পারে। তারপর এলএসজি থেকেই প্রথম আমার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল। জাহির খানের প্রস্তাবটা আমাকে নিতেই হত।" হায়দরাবাদের ব্যাটিং লাইন আপ দেখেও ভয় পাননি শার্দূল। বরং প্যাট কামিন্সদের বিরুদ্ধে আগ্রাসনই ছিল তাঁদের অস্ত্র। বৃহস্পতিবারের ম্যাচে আইপিএলের শততম উইকেট পাওয়ার নজিরও গড়েছেন মুম্বই তারকা।