কলকাতা নাইট রাইডার্স: ১১৬ (অঙ্গকৃষ ২৬, রমনদীপ ২২)
মুম্বই ইন্ডিয়ান্স: ১২১/২ (রিকালটন ৬২*, সূর্যকুমার ২৭*)
৮ উইকেটে জয়ী মুম্বই ইন্ডিয়ান্স

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জয়ের জন্য দরকার মাত্র ১১৭ রান। বলা চলে, তেমন কোনও চাপই ছিল না মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের সামনে। আর ছোট লক্ষ্য যেভাবে তাড়া করতে হয়, ঠিক সেভাবেই শুরু মুম্বইয়ের। মেজাজ একেবারে সপ্তমে রেখেই মাত্র ১২.৫ ওভারেই তারা জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় রান তুলে নেয়। চলতি আইপিএলে এটাই তাদের প্রথম জয়।
এদিন ঝোড়ো শুরু করেন রিকালটন। অন্যদিকে, ১৩ রানের বেশি করতে পারলেন না 'হিট ম্যান'। আন্দ্রে রাসেলের বলে পুল করতে গিয়ে হর্ষিত রানার হাতে সহজ ক্যাচ দিয়ে ফেরেন রোহিত শর্মা। তাঁর এই ব্যাড প্যাচ মুম্বই শিবিরকে চিন্তায় রাখবে। রোহিত আউট হলেও লক্ষ্যে স্থির ছিলেন মুম্বইয়ের বাকি ব্যাটাররা। একেবারে তুরীয় মেজাজে ৮ উইকেটে ম্যাচটি জিতে নেয় তারা। রিকেলটন ৪১ বলে ৬২ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন। অন্যদিকে, সূর্যকুমার যাদব ৯ বলে ২৭ করে ফর্মে ফেরার ইঙ্গিত দিয়ে রাখলেন।
মুম্বইয়ের সঙ্গে শেষ দুই সাক্ষাতেই জিতেছিল কেকেআর। তবে এদিন নাইটদের সমস্ত বিভাগেই টেক্কা দিয়ে ম্যাচ জিতে নেয় মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। চলতি আইপিএলের দ্বাদশ ম্যাচে কলকাতা নাইট রাইডার্সকে ১১৬ রানে গুটিয়ে দেয় মুম্বই। ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে টস জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন মুম্বই অধিনায়ক হার্দিক পাণ্ডিয়া। মুম্বইয়ের হয়ে অভিষেক ঘটানো অশ্বিনী কুমার ২৪ রানে ৪ উইকেট নিয়ে রেকর্ডও গড়েন। তিনিই প্রথম ভারতীয় বোলার হিসেবে আইপিএলের আঙিনায় অভিষেক ম্যাচে ৪ উইকেট নিলেন।
খেলার শুরু থেকেই এদিন একের পর এক উইকেট হারাতে থাকেন নাইটরা। এই ম্যাচে প্রত্যাবর্তন ঘটানো সুনীল নারিন কোনও রান না করেই আউট হন। ম্যাচের প্রথম ওভারের তৃতীয় বলে নারিনের উইকেট নিয়ে প্রথম ঝটকা দেন কিউয়ি পেসার ট্রেন্ট বোল্ট। এরপর শুরু হয় নাইট ব্যাটারদের আসা-যাওয়ার খেলা। ২৬.৭৫ কোটির প্লেয়ার ভেঙ্কটেশ আইয়ার (৩) এদিনও ব্যর্থ। প্রথম ৬ ওভারের মধ্যে ৪১ রানে ৪ উইকেট খুইয়ে ধুঁকতে থাকে তারা।
২৩ বছরের এই বাঁ-হাতি পেসার অশ্বিনী কুমার একে একে ফেরান রিঙ্কু সিং (১৭), মণীশ পাণ্ডে (১৯), আন্দ্রে রাসেলকে (৫)। এবারের আইপিএলে মুম্বই প্রথমবার ঘরের মাঠের দর্শকদের সামনে খেলে। আর প্রথমবারই তারা লেটার মার্কস পেয়ে পাশ। কেকেআরের পক্ষে সর্বোচ্চ রান অঙ্গকৃষ রঘুবংশীর (২৬)। শেষ দিকে রমনদীপ সিং (২২) চালিয়ে খেলে কিছুটা মানরক্ষা করার চেষ্টা করেন। যদিও কেকেআর ১১৬ রানের বেশি করতে পারেনি।