এই মুহূর্তে শ্রেয়স আইয়ারের নেতৃত্বে দুরন্ত ছন্দে রয়েছে পাঞ্জাব কিংস। ১৩ পয়েন্ট নিয়ে সবার উপরে তারা। আগুনে ফর্মে আছেন পাঞ্জাব অধিনায়কও। ৮ ম্যাচে ৩০৯ রান করেছেন। এরমধ্যে চারটে হাফসেঞ্চুরি। এবার শ্রেয়সের মুকুটে নতুন পালক। ভারতে ই-স্পোর্টস ও মোটরস্পোর্টসকে একসঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্যে বড় পদক্ষেপ নিল মুম্বই ফ্যালকন্স রেসিং লিমিটেড। সেই কারণেই তাঁকে ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে।
ফর্মুলা ওয়ান-সমর্থিত সিম রেসিংয়ের উদ্যোগে নতুন অধ্যায় যোগ করল ভারতীয় ক্রীড়াজগৎ। মুম্বই ফ্যালকন্স রেসিং লিমিটেডের উদ্যোগে আয়োজিত আসন্ন এফ১ সিম রেসিং ইন্ডিয়া ওপেনের অফিসিয়াল ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হলেন শ্রেয়স। সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ফর্মুলা ওয়ানের সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির ফলেই এই সিম রেসিং প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হচ্ছে। এর লক্ষ্য, দেশের ইস্পোর্টস রেসিং ক্ষেত্রকে সংগঠিত করা। যাতে তরুণ প্রতিভাদের জন্য আন্তর্জাতিক মানের প্ল্যাটফর্ম তৈরি হয়। এই উদ্যোগেই শামিল হয়েছেন শ্রেয়স। তিনি ফর্মুলা ওয়ানের সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় তরুণ প্রজন্ম উজ্জীবিত হবে বলেই মনে করছেন অনেকে।
নতুন দায়িত্ব পেয়ে শ্রেয়স বলছেন, "খেলাধুলা মানেই হল নিজের সেরাটা খুঁজে বের করা। তবে সব সময়ই নিজের চেনা সীমা অতিক্রম করার প্রস্তুতিরও অংশ খেলা। মুম্বই ফ্যালকন্স যেভাবে দেশের তরুণদের জন্য একটি পথ তৈরি করছে, তা শুনেই উদ্যোগের অংশ হতে রাজি হয়ে যাই। আমি নিজেও ছোট থেকে এমন উদ্যোগের অংশ হতে চেয়েছিলাম। এটা এমন একটি সুযোগ, যা সব সময় পেতে চাইতাম। এই যাত্রার অংশ হতে পেরে গর্বিত।"
এই উদ্যোগের নেপথ্যে কোন ভাবনা কাজ করেছে? মুম্বাই ফ্যালকন্স রেসিং লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অমিত গাধোকে বলেন, "আমরা বিশ্বাস করি, ভারতে বিশ্বমানের প্রতিভা রয়েছে। কিন্তু পরিকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে সেই সম্ভাবনা অনেক সময় বিকশিত হতে পারে না। ফর্মুলা ওয়ানের সঙ্গে পার্টনারশিপে এফ১ সিম রেসিং ইন্ডিয়া ওপেন ২০২৬ সেই ব্যবধান পূরণে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।" শ্রেয়স আইয়ারকে নিয়ে তিনি বলেন, "শ্রেয়স এমন এক ধরনের অ্যাথলিট, যিনি প্রভিভা ও শৃঙ্খলার প্রতীক। নতুন প্রজন্মের সঙ্গে তাঁর সংযোগ এই উদ্যোগকে আরও অর্থবহ করে তুলবে।"
জানা গিয়েছে, আগামী ৩০ এপ্রিল থেকে এমএফআরএল অ্যাপের মাধ্যমে প্রতিযোগিতার রেজিস্ট্রেশন শুরু হবে। অনলাইন বাছাইপর্বের পর শহরভিত্তিক সিমুলেটর রাউন্ড অনুষ্ঠিত হবে। এরপর নভেম্বর মাসে মুম্বইয়ে ন্যাশনাল ফাইনালের মাধ্যমে চূড়ান্ত বিজয়ী নির্ধারণ করা হবে। পুরো উদ্যোগটি ভারতের ইস্পোর্টস ও মোটরস্পোর্টসকে একত্রিত করে একটি নতুন প্রতিযোগিতামূলক পথ তৈরির লক্ষ্যেই এগোচ্ছে বলে জানিয়েছে আয়োজক সংস্থা।
