পাকবিরোধিতার পথ থেকে সরে এসে পাক স্পিনার আবরার আহমেদকে দলে নিয়েছে সানরাইজার্স লিডস। যে দলের মালকিন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দয়ানিধি মারানের ভাইঝি কাব্য মারান। ভারতীয় মালিকানাধীন দলে কেন পাক স্পিনারকে নেওয়া হল, সেই নিয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েছে সমাজমাধ্যম। গোটা বিতর্ক নিয়ে এবার সরব হয়েছে সানরাইজার্স ম্যানেজমেন্ট। কিন্তু আপাতত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে দলের এক্স অ্যাকাউন্ট।
বৃহস্পতিবার বেশ কিছুক্ষণ দর হাঁকার পর আবরারকে কিনেছে কাব্য মারানের দল। তারপর থেকেই সোশাল মিডিয়ায় তুমুল সমালোচনার শিকার সানরাইজার্স লিডস। সোশাল মিডিয়ায় ট্রেন্ডিং হতে শুরু করেছে #ShameOnSRH ও #BoycottSunrisers-এর মতো হ্যাশট্যাগ। অভিযোগ, জাতীয় আবেগকে অবহেলা করেছেন কাব্য। উল্লেখ্য, আইপিএলে দীর্ঘদিন ধরেই পাক ক্রিকেটারদের প্রবেশাধিকার নেই। তবে এবার ভারতীয় মালিকানাধীন দলে পাক তারকার অন্তর্ভুক্তিতেই জ্বলে উঠেছে বিতর্কের আগুন। কেন ভারতীয় মালিকানাধীন দল পাকিস্তানি ক্রিকেটারকে বয়কট করল না, উঠছে প্রশ্ন।
বিতর্কের মধ্যে মুখ খুলেছেন সানরাইজার্সের হেড কোচ ড্যানিয়েল ভেত্তোরি। তাঁর কথায়, "আবরারের বোলিংয়ে যথেষ্ট বৈচিত্র রয়েছে। বিশেষত ইংল্যান্ডের ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলা কেউই আবরারের বোলিং দেখেনি। নিলামে যতজন ক্রিকেটার ছিলেন, প্রত্যেককে নিয়েই আমরা ভাবনাচিন্তা করেছি। বিদেশি স্পিনার অনেকেই ছিলেন। কিন্তু আমরা প্রথম থেকেই আবরারকে দলে চেয়েছি। দলের স্ট্র্যাটেজিতে আবরার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।"
ভেত্তোরি আরও বলেন, ভারতীয় মালিকানাধীন দলগুলি পাক ক্রিকেটারদের বয়কট করবে এমন কিছু ভাসা ভাসা তথ্য ছিল তাঁর কাছে। কিন্তু এই নিয়ে স্পষ্ট করে কোনও নির্দেশিকা আসেনি। হেডকোচের এই 'সাফাই'য়ের পরেও অবশ্য ট্রোলের হাত থেকে মুক্তি পায়নি সানরাইজার্স লিডস। তাদের এক্স অ্যাকাউন্টটাই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কেন এমনটা হল, তা স্পষ্ট নয়। প্রসঙ্গত, কাব্য মারানের দল বিশ্বের নানা ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে আগেও পাক ক্রিকেটারদের দলে নিয়েছে। বৃহস্পতিবারের নিলামে ট্রেন্ট রকেটসের সঙ্গে রীতিমতো দর কষাকষি করে আবরারকে দলে নিয়েছে সানরাইজার্স লিডস।
