টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এই মুহূর্তে খাদের কিনারায় টিম ইন্ডিয়া। একটা ভুল মানে সেমিফাইনাল স্বপ্নের সলিল সমাধি হয়ে যেতে পারে। এই ‘টেনশন’ যখন ভারতীয় দলের অন্দরে, তখনই প্রকাশ্যে এল অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবের স্ত্রী কোটি কোটি টাকা খরচ করে বিলাসবহুল ফ্ল্যাট কিনেছেন। যার দাম শুনলে পিলে চমকে যেতে পারে।
বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর, সূর্যকুমারের স্ত্রী দেবীশা শেঠি মুম্বইয়ে ১৫০০ বর্গফুটের একটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট কিনেছেন। মুম্বাইয়ের দেওনারে গোদরেজ স্কাই টেরেস প্রকল্পের আবাসনে এই ফ্ল্যাট। যার দাম ৭.১৮ কোটি টাকা। এর ফলে স্কাইয়ের পরিবারের জৌলুস আরও বৃদ্ধি পেল।
টিম ইন্ডিয়ার টি টোয়েন্টি অধিনায়ক গত বছর একই আবাসনে দু’টি অ্যাপার্টমেন্ট কিনেছিলেন। যার আনুমানিক দাম ছিল ২১ কোটি ১১ লক্ষ টাকা। দু'টি অ্যাপার্টমেন্টের মিলিত আয়তন কেবল কার্পেট এরিয়া ধরলে ৮৭৯০ স্কোয়্যার ফিট। দু'টি ফ্ল্যাট ছিল ১৭ এবং ১৮ তলায়। সেই আবাসনেই তাঁদের তৃতীয় ফ্ল্যাট, যা পাঁচ দিন আগে অর্থাৎ ২০ ফেব্রুয়ারি কিনেছেন দেবীশা।
অ্যাপার্টমেন্টটির স্ট্যাম্প ডিউটি ৩৫.৯০ লক্ষ টাকা। এক্ষেত্রে দেবীশাকে রেজিস্ট্রেশন ফি দিতে হয়েছে ৩০ হাজার টাকা। প্রশ্ন হল, আবাসনটির প্রতি স্কোয়ার মিটারের মূল্য কত? উত্তর হল এর প্রতি বর্গমিটারে ২০০,০৫৭.৮০ টাকা। সুতরাং ফ্ল্যাটটির মূল্য ৩.৮৩ কোটি টাকা হওয়ার কথা। তবে দেবীশা আরও ৩.৩৪ কোটি টাকা বেশি দিয়েছেন। অ্যাপার্টমেন্টটিতে দু’টি পার্কিং স্পেস রয়েছে। জানা গিয়েছে, ২০২৮-এর ৩০ জুন ফ্ল্যাটটি তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হবে।
তবে কেন চেম্বুর এলাকায় তিন-তিনটি ফ্ল্যাট কিনলেন তাঁরা? এখানকার যোগাযোগ ব্যবস্থা খুবই উন্নত মানের। যে কোনও দিকে অতি দ্রুত পৌঁছে যাওয়া যায়। গত বছর চতুর্থ কোয়ার্টারে এখানে ২,৭১১টি নতুন হোম লঞ্চ করা হয়েছিল। যা সমগ্র মুম্বই এলাকার ১৭ শতাংশ। চেম্বুর ইস্টার্ন এক্সপ্রেস হাইওয়ে এবং ইস্টার্ন ফ্রিওয়ের সঙ্গে এলাকাটি সংযুক্ত। যার একদিকে থানে, অন্যদিকে দক্ষিণ মুম্বই। ফ্রিওয়ের মাধ্যমে দক্ষিণ মুম্বই পৌঁছতে লাগে মাত্র ২০ থেকে ২৫ মিনিট। তাছাড়াও মেট্রো নির্মাণের কাজ চলছে। আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এখান থেকে মাত্র ১২ থেকে ১৫ কিমি দূরে।
