গৌতম গম্ভীর কলকাতায় আসবেন আর কালীঘাট মন্দির দর্শনে যাবেন না, তা কী হয়? বিশেষ করে সামনে যেখানে মরণবাঁচন ম্যাচ। শনিবার সকালেই মা কালীর দর্শনে ছুটে যান ভারতীয় দলের হেড কোচ। প্রথমে শুক্রবার রাতেই কালীঘাটে যাওয়ার কথা থাকলেও শেষমেশ শনি-সকালেই পুজো দেন গম্ভীর।
বৃহস্পতিবারের দু’টো ম্যাচের পর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের দৌড়ে নতুন করে অক্সিজেন পেয়েছে ভারত। রবিবার ইডেনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সূর্যকুমার যাদবদের ম্যাচটা একপ্রকার কোয়ার্টার ফাইনাল। পাশাপাশি এবার দলবল নিয়ে নিজের পয়া হোটেলে থাকছেন তিনি। তবে শনিবার নয়, শুক্রবার সন্ধ্যায় কালীঘাটে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ভারতীয় ক্রিকেটাররা শহরে পৌঁছন নির্ধারিত সময়ের এক ঘণ্টা পরে।
কালীঘাট মন্দিরে পুজো গম্ভীরের। ছবি: কৌশিক দত্ত
আসলে শুক্রবার দুপুরে শহরে ভূমিকম্প হওয়ার পরপর কিছুক্ষণের জন্য কলকাতা রানওয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়। চেন্নাই থেকে প্রায় মিনিট চল্লিশ পর ওড়ে সূর্যকুমার যাদবদের ফ্লাইট। শুক্রবার শহরে নেমে বিকেলের দিকে কালীঘাট মন্দিরে যাওয়ার কথা ছিল জাতীয় কোচ গৌতম গম্ভীরের। কিন্তু সেটা আর তিনি যাননি। অবশেষে শনিবার সকালে সাদা গাড়িতে কালীঘাটে পৌঁছন তিনি। পরনে ছিল কালো পোশাক। ভিতরে মাতৃমূর্তির সামনে আরতি দেন তিনি। দলের হয়ে পুজো দেন। বেশ কিছুক্ষণ পর পুজো দিয়ে মন্দির থেকে বেরিয়ে আসেন। কপালে ছিল গেরুয়া তিলক।
যখন নাইট রাইডার্সের মেন্টর ছিলেন, তখনও বড় ম্যাচের আগে কালীঘাট মন্দিরে পুজো দিতে যেতেন। জাতীয় দলের কোচ হওয়ার পর যতবার কলকাতায় এসেছেন, ততবার কালীঘাটে গিয়েছেন। গত বছর জানুয়ারিতে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি-২০ ম্যাচের আগের আগেও তিনি কালীঘাটে গিয়েছিলেন। সেই সময় বিখ্যাত বিপণী থেকে লাল-পাড় সাদা শাড়ি নিয়ে কালীঘাটে গিয়েছিলেন গম্ভীর। মায়ের মূর্তি নিয়ে ফেরেন তিনি। টিম ইন্ডিয়ার প্রত্যেক সদস্যের জন্য মা কালীর একটি করে ছবি উপহার হিসাবে নিয়ে গিয়েছিলেন ভারতীয় কোচ। গত বছরের শেষে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টের আগে বেশ ভক্তিভরে মা কালীর কাছে প্রার্থনা করেন গম্ভীর।
