টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে সবচেয়ে বেশি চর্চা ছিল একজনকে নিয়ে-অভিষেক শর্মা। টুর্নামেন্টের 'বিজনেস এন্ডে' এসেও চর্চার নাম সেই অভিষেক। তফাত বলতে বিশ্বকাপের আগে চর্চার বিষয়বস্তু ছিল, ভারতীয় ওপেনারের বিধ্বংসী ফর্ম। আর এখন? চারটে ম্যাচ ধারাবাহিক ব্যর্থতার পর আলোচনার কেন্দ্রে অভিষেকের অফ ফর্ম।
জিম্বাবোয়ে ম্যাচের আগের দিন মিনিট পনেরোর প্রেস কনফারেন্সে বেশিরভাগ প্রশ্ন হল অভিষেক নিয়ে! সুপার এইটে বাকি দু'টো ম্যাচ এখন জীবন-মৃত্যুর। ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট যতটা সম্ভব চাপমুক্ত রাখার চেষ্টা করছে অভিষেককে। ব্যাটিং কোচ সীতাংশু কোটাক যেমন বলছিলেন, "আমি একটা বিষয় বুঝতে পারছি না। যখন অভিষেক চল্লিশ-পঞ্চাশ বলে সেঞ্চুরি করত তখন তো এই প্রশ্নগুলো কেউ করেননি। তাহলে এখন কেন এত হইচই করা হচ্ছে?
শোনা গেল, অভিষেকের কাছে স্পষ্ট বার্তা চলে গিয়েছে যে-ব্যর্থতা নিয়ে কোনও ভাবার দরকার নেই। আগের ম্যাচগুলোতে কী হয়েছে, সে'সব পুরো ভুলে যাও।
ব্যাটিং কোচ আরও বলেন, "শুরুর দিকে অভিষেকের শরীর একটু খারাপ ছিল। রান করতে পারেনি। আগের ম্যাচে (দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে) ওকে ছন্দেই মনে হয়েছিল। একজনকে নিয়ে কেন এত কথা হবে? শুধু যদি একজনের উপর আমরা বেশি ফোকাস করি, তাহলে তাকে আরও চাপে ফেলে দেওয়া হবে। আমাদের কাজ হল ক্রিকেটারদের মানসিক দিক থেকে ঠিক জায়গায় রাখা। কয়েকটা শটের শুধু ব্যাপার। সেটা হলেই আপনারা আবার পুরেনো অভিষেককে দেখবেন।"
ভারতীয় টিম একটা ব্যাপার বুঝে গিয়েছে, অভিষেককে নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা করলে তার ফলাফল আরও উল্টো হতে পারে। শোনা গেল, অভিষেকের কাছে স্পষ্ট বার্তা চলে গিয়েছে যে-ব্যর্থতা নিয়ে কোনও ভাবার দরকার নেই। আগের ম্যাচগুলোতে কী হয়েছে, সে'সব পুরো ভুলে যাও। জিম্বাবোয়ে ম্যাচ থেকে সব নতুন করে শুরু করো। অনেকেই আবার অভিষেকের অতিরিক্ত ভয়ডরহীন ব্যাটিং নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। বলা হচ্ছে, প্রথম বল থেকে ওভাবে মারমার-কাটকাট ব্যাটিংয়ের কী দরকার? তবে এসব নিয়ে অভিষেককে মাথা ঘামাতে নিষেধ করে দেওয়া হয়েছে। খেলতে বলা হয়েছে, তাঁর স্বাভাবিক খেলা।
