বিশ্বকাপ শুরু হতে দিন দশেকও বাকি নেই। কিন্তু নাটক জারি রেখেছে পাকিস্তান। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে এই মুহূর্তে টি-টোয়েন্টি সিরিজ চলছে সলমন আলি আঘাদের। সেই সিরিজের মাঝেই বিশ্বকাপ নিয়ে একটি অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে তা বাতিল করে দেয় পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। তাহলে কি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপও (T20 World Cup) বয়কট করবে? তা নিশ্চয়ই নয়। বরং নাটক জিইয়ে রাখার জন্যই এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করা হচ্ছে।
আট বছর ধরে হারতে হারতে অবশেষে জয় পেয়েছে পাকিস্তান। অস্ট্রেলিয়াকে টি-২০ ম্যাচে হারিয়েছেন সলমন আলি আঘারা। অনেকেই বলছেন, এতে উচ্ছ্বসিত হওয়ার কিছু নেই। কারণ পাকিস্তানে অস্ট্রেলিয়ার যে দলটা খেলতে এসেছে, তা কার্যত নতুন মুখে ভরা। অজি বাহিনী ‘বি’ টিম নিয়ে নামলেও পাকিস্তান অবশ্য পূর্ণশক্তির দল নিয়েই নেমেছিল। প্রশ্ন হল, যদি বিশ্বকাপ বয়কটই করে, তাহলে ঠিক আগেই সিরিজ কেন খেলছে পাকিস্তান?
এর মধ্যে নয়া নাটক। দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টির আগে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করার কথা ছিল বাবর আজমদের। জানা গিয়েছে, সেই অনুষ্ঠানে বিশ্বকাপের জার্সি প্রকাশ্যে আনার কথা ছিল। কিন্তু সেই অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়। বলা হচ্ছে, পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রক থেকে এখনও বাবর-আফ্রিদিদের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিয়ে সবুজ সংকেত দেওয়া হয়নি। সম্ভবত সোমবার এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ততক্ষণ পর্যন্ত বিশ্বকাপ বয়কটের নাটক করে যেতে চায় পাক বোর্ড। যা আসলে দেশের ক্রিকেটভক্তদেরই 'বোকা' বানানোর নয়া কৌশল বলে মনে করা হচ্ছে।
দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টির আগে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করার কথা ছিল বাবর আজমদের। জানা গিয়েছে, সেই অনুষ্ঠানে বিশ্বকাপের জার্সি প্রকাশ্যে আনার কথা ছিল। কিন্তু সেই অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়।
আইসিসি ইতিমধ্যেই হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছে, বিশ্বকাপ না খেললে বার্ষিক চুক্তির টাকা পিসিবি পাবে না। সেক্ষেত্রে ৩১৬ কোটি টাকা লোকসান হবে বাবর আজমদের ক্রিকেট বোর্ডের। এই টাকা না পেলে পাক ক্রিকেটের কার্যত ভিখারির দশা হবে। সেই কারণে বিশ্বকাপ বয়কটের মতো চরম সিদ্ধান্ত নিয়ে নিজেদের পায়ে কুড়ুল মারবে না তারা। তাই ধরে নেওয়া যায়, ভারতের বিরুদ্ধে নামবে পাক দল। তাছাড়াও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, পাকিস্তান নাকি ইতিমধ্যেই কলম্বোর বিমানের টিকিট কেটে ফেলেছে। ২ ফেব্রুয়ারি তাদের কলম্বো পৌঁছানোর কথা।
