বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হয়ে গিয়েছে পাঁচদিন আগে। তবু বাড়ি ফিরতে পারেনি ওয়েস্ট ইন্ডিজের গোটা দল। ইরান যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক বিমান পরিষেবার একটা বড় অংশই বিপর্যস্ত। তার ফলে কলকাতায় আটকে রয়েছেন ড্যারেন স্যামি-রস্টন চেজরা। রীতিমতো আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন তাঁরা। আদৌ বাড়ি ফেরা হবে কিনা, সেই আতঙ্কই গিলে খাচ্ছে শিমরন হেটমায়ারদের।
গত শনিবার গভীর রাতে আমেরিকা-ইজরায়েলের হামলা আছড়ে পড়ে ইরানে। তারপর থেকেই যুদ্ধের আগুনে জ্বলছে গোটা মধ্যপ্রাচ্য। মৃত্যু হয়েছে ইরানের সর্বোচ্চ শাসক আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের। তেহরানের পালটা মার আছড়ে পড়ছে পশ্চিম এশিয়ার একাধিক দেশের উপর। টানা ছ'দিন ধরে চলছে যুদ্ধ। তার জেরেই পশ্চিম এশিয়ার একাধিক বিমানপথ বন্ধ। নানা দেশেই আটকে পড়েছেন আমজনতা। একই দশা ওয়েস্ট ইন্ডিজেরও।
গত রবিবার ইডেন গার্ডেন্সে ম্যাচ খেলেছেন জেসন হোল্ডাররা। ভারতের কাছে হেরে ওইদিনই বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হয়ে যায় তাঁদের। কিন্তু যুদ্ধের কারণে আর দেশে ফেরার বিমান ধরতে পারেনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ। পাঁচদিন ধরে তাঁরা আটকে রয়েছেন কলকাতায়। ক্যারিবীয় বোর্ডের তরফে আগেই জানানো হয়েছিল, আকাশসীমা বন্ধ থাকার কারণে আপাতত দেশে ফিরতে পারবেন না ক্রিকেটাররা। তাঁদের দ্রুত ফিরিয়ে আনার জন্য আইসিসি এবং বিভিন্ন দেশের সরকারের সঙ্গে আলোচনা করছে ক্যারিবীয় বোর্ড।
কিন্তু কলকাতা থেকে কবে দেশে ফিরতে পারবেন, সেই নিয়ে একেবারে অন্ধকারে গোটা দল। সোশাল মিডিয়ায় নিজের হতাশা উগরে দিয়েছেন কোচ ড্যারেন স্যামি। দশ বছর আগে এই ইডেন থেকেই বিশ্বকাপ জিতে ফিরেছিলেন। কিন্তু এবার কলকাতায় আটকে থাকতে প্রাণ হাঁপিয়ে উঠছে তাঁর। এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, 'আমি শুধু বাড়ি ফিরতে চাই। একটা কিছু তথ্য আমাদের জানানো হোক। আগামী কাল, আগামী সপ্তাহ-কবে ফিরতে পারব? পাঁচদিন ধরে আটকে রয়েছি।' সূত্রের খবর, ওয়েস্ট ইন্ডিজের ফেরা নিয়ে জট দ্রুত কাটতে চলেছে। এবার নিরাপদে বাড়ি ফিরে যাবেন হেটমায়াররা।
