জীবন কীভাবে বদলে যায়! ২০২২-এ ডবল সেঞ্চুরি করার পর অনেকেই মনে করেছিলেন, ভারতীয় দলে ঈশান কিষানের জায়গা পাকা। কিন্তু সেখান থেকে বাদ পড়েন। অবশেষে কামব্যাকের নয়া কাহিনি লিখলেন ঈশান কিষান। রায়পুরে নিউজিল্যান্ড দল ও ভারতের ক্রিকেটভক্তরা ঈশান কোণে ঝড় দেখল। তবে কামব্যাকের পথে মসৃণ ছিল না। একটা সময় নিজেকে প্রশ্ন করতেন, "আমি কি আর পারব?" সেই সংশয়কে আত্মবিশ্বাসে রূপান্তর করেই ফিরে এলেন ঈশান।
দু’বছর পর জাতীয় দলে ফিরে প্রথম ম্যাচে ব্যর্থ হলেও দ্বিতীয় ম্যাচে চেনা মেজাজে ফিরলেন ঈশান। এই দু'বছর তাঁকে একটাই প্রশ্ন তাড়া করত, "আমি কি ফের জাতীয় দলের জার্সি পরে পারফর্ম করতে পারব?" সেখান থেকে কামব্যাক করলেন ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিত রান করে। সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফির ফাইনালে ঝাড়খণ্ডকে জিতিয়ে ‘বঞ্চিত’ তকমা ঘোচানোর মরিয়া চেষ্টা একটা করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ৪৯ বলে ১০১ রানের ইনিংসে কার্যত উড়ে গিয়েছিল হরিয়ানা। ১০ ম্যাচে ৫১৭ রান করে তিনিই শীর্ষ রান সংগ্রাহক।
ঈশান বলছেন, "আমি ঘরোয়া ক্রিকেটে শুধু রান করতে চেয়েছি। কখনও কখনও নিজের জন্য কিছু কাজ করতে হয়। নিজের ব্যাটিং সম্পর্কে নিজেকেই জবাবদিহি করতে হয়, আমি কি সত্যিই ভারতের হয়ে খেলার যোগ্য? সেই জন্য আমার জন্য ঘরোয়া ক্রিকেটে ভালো খেলে রান করা খুব দরকারি ছিল। সব চেয়ে ভালো ব্যাপার আমরা ট্রফি জিতেছি, সেই আত্মবিশ্বাসটা নিয়েই এখানে এসেছি। তাই আজ ভালো খেলতে পারলাম।"
নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ২১ বলে হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করেন ঈশান। শেষ পর্যন্ত ইশ সোধির বলে ছয় মারতে গিয়ে ৩২ বলে ৭৬ রানে সাজঘরে ফেরেন ঈশান। আউটের আগে ১১টা চার এবং চারটে বিশাল ছক্কা হাঁকিয়েছেন। এর আগে ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিত রান করেছেন। সেই তিনি ভারতীয় দলে ফিরে সুপারহিট।
